• রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
প্রস্তুত: ২৪ টি ভোট কেন্দ্র,  শেষ মুহূর্তে প্রচারনায় মুখরিত কাপ্তাইয়ের বিভিন্ন জনপদ  লংগদুতে সন্তু গ্রুপ কর্তৃক ইউপিডিএফ সদস্যসহ ২ জনকে গুলি করে হত্যার নিন্দা ও প্রতিবাদ-ইউপিডিএফ রাঙ্গামাটিতে দুর্বৃত্তের গুলিতে ইউপিডিএফ সদস্যসহ নিহত-২ কেএনএফের নারী শাখার প্রধান সমন্বয়ক আকিম বম গ্রেপ্তার মানিকছড়িতে নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধি সংবর্ধনা দীঘিনালায় ইউনিয়ন পরিষদ কর্মপরিকল্পনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত কাপ্তাইয়ে পুলিশ এর অভিযানে গ্রেফতারী পরোয়ানাভুক্ত আসামী চৌদ্দগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার  রাজস্থলী  উপজেলা পরিষদ নির্বাচন: ভোটারের  দোয়ারে দোয়ারে ছুটছেন প্রার্থীরা, চাইছেন দোয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন: লামায় শেষমুহুর্তে জমে উঠেছে ভোটের লড়াই মহেশখালীতে জেলেদের ৫৬ দিন বন্ধে সচেতনতামূলক সভা ও স্মার্ট কার্ড বিতরণ চন্দ্রঘোনা থানা পুলিশ এর অভিযানে ৩০ লিটার  চোলাইমদ সহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক  কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচন: তাপদাহ উপেক্ষা করে প্রার্থীরা ছুটছেন ভোটার দোয়ারে দোয়ারে 

ঝুঁকি নিয়ে এখনও পাহাড়েই বসবাস অনেকের

চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রতিনিধি / ৩৮৮ জন পড়েছেন
প্রকাশিত : সোমবার, ৭ জুন, ২০২১

টানাবর্ষণ হলেই চট্টগ্রামে বাড়ে পাহাড় ধসের শঙ্কা। পাহাড়ে থাকা মানুষকে সরাতে তোড়জোড় শুরু হয় প্রশাসনের।গুটিকয়েক পরিবারকে সরানো সম্ভব হলেও থেকে যায় বেশিভাগই। কর্তা-ব্যক্তিরা চলে যাবার পরপরই পাহাড়ের ফিরে যায় তারা।  জেলা প্রশাসনের ২০১৯ সালের তালিকা অনুযায়ী, নগরের ১৭টি পাহাড়কে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এরমধ্যে ১০টি ব্যক্তি মালিকানাধীন এবং বাকি সাতটি সরকারি বিভিন্ন সংস্থার। সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সিটি করপোরেশন, রেলওয়ে, চট্টগ্রাম ওয়াসা, গণপূর্ত এবং জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের পাহাড় রয়েছে। সরকারি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন এসব পাহাড়ে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করা ৮৩৫ পরিবারের তালিকা করা হয়। মাত্র ৩৫০ পরিবারকে উচ্ছেদ করা হলেও বাকি ৪৮৫টি পরিবার এখনও পাহাড়ে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছেন।  পাহাড়ে বসবাসরতদের সরিয়ে নিতে তোড়জোর থাকলেও স্থায়ী কোনো সমাধান না করায় প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে কোনো তোয়াক্কাই করছেন না স্থানীয়রা।

নগরের বাটালি হিলে বসবাসরত মো. রফিক  বলেন, বর্ষা হলেই শুধু আমাদের সরিয়ে নিতে চেষ্টা করে। কিন্তু স্থায়ী কোনো সমাধানের চিন্তা নেই। আমরা এখান থেকে সরে গেলে কোথায় যাব? লকডাউনের কারণে আমাদের কাজ নেই, ঘরে খাবার নেই। শুধু প্রশাসন থেকে এসে বললেই হবে? সারাবছর তো আমরা বেঁচে আছি না মরে গেছি কেউ খোঁজ নেয় না। সামান্য বৃষ্টি হলেই আমাদের প্রতি দরদ দেখা যায়।মো. জয়নাল নামে আরেক ব্যক্তি বলেন, বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের যে কদর রয়েছে আমাদেরও সে কদর নেই। বর্ষা হলেই আমাদের মাথার ওপর যে ছাদ আছে সেটা কেড়ে নিতে চায়। আরেকটা ছাদ কে করে দিবে সে চিন্তা কেউ করে না। তাই বাধ্য হয়েই আমরা ঝুঁকি নিয়ে এই পাহাড়ের পাশেই থাকছি।  এদিকে, গতকাল ভারি বর্ষণের পর এখন পর্যন্ত ১৫০ পরিবারকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানান চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) নাজমুল আহসান।
তিনি বলেন, সকাল থেকে নগরের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে। তাদের রাখার জন্য আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে চায় না। তাই সরিয়ে নেওয়া বাসিন্দারা নিকটবর্তী আত্মীয়-স্বজনের বাসায় রয়েছে। দুর্যোগকালীন সময়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় যাতায়াত ঠেকাতে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রতিনিধিদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ