বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ

হ্যাঁ, এলাকা আমার, খবর আমার, পত্রিকা আমার। সাফল্যের ২ বছর শেষে ৩ তম বছরে দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ। নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সবচেয়ে বেশি স্থানীয় সংস্করন নিয়ে "দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ" বিশ্লেষন আমাদের, সিদ্ধান্ত আপনার। দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ পত্রিকায় শুন্য পদে সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে। আপনার এলাকায় শুন্য পদ রয়েছে কিনা জানতে কল করুনঃ 01647627526 অথবা ইনবক্স করুন আমাদের পেইজে। ভিজিট করুনঃ parbattakantho.com দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ। সত্য প্রকাশে সাহসী যোদ্ধা আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়বো

মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি রেখেই সড়কের ড্রেন নির্মাণ

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, নিজস্ব সংবাদদাতা, লামা:
  • প্রকাশিত : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৪৯৯ জন পড়েছেন

বান্দরবানের লামা উপজেলা শহরে বান্দরবান সড়ক ও জনপদ বিভাগের তত্ত্বাবধানে ১১ কোটি টাকার সড়ক উন্নয়নের কাজ শুরু হয়েছে। লামা বাজারের চৌরাস্তা মোড় থেকে লাইনঝিরি পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার সড়কে ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে উন্নয়ন কাজ করছে সড়ক ও জনপদ বিভাগ বান্দরবান। এই কাজের লামা বাজারের ছোট নুনারবিল মার্মা পাড়া সংলগ্ন রাস্তার পূর্ব পাশে নতুন ড্রেন নির্মাণ হচ্ছে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, রাস্তা প্রশস্ত করায় পাশের বিদ্যুতের পিলারটি বর্তমান ড্রেনের মাঝখানে পড়েছে। আশপাশের মানুষ বলছে, বিদ্যুৎ বিভাগের সাথে কথা বলে পিলার সরিয়ে ড্রেনের কাজ করা যেত। কিন্তু সড়ক ও জনপদ বিভাগের লোকজন দায়সারাভাবে পিলারটি ড্রেনের মাঝখানে রেখেই ড্রেনের কাজ শেষ করছে। ড্রেনের দু’পাশে ওয়াল তোলা হলে বিদ্যুতের পিলারটি ড্রেনের মাঝে পড়বে। তখন এই ড্রেন দিয়ে পানি যাবে কিভাবে ? এমনটা ভাবছেন স্থানীয়রা।

এদিকে, এই উন্নয়ন কাজটি শুরুর পর থেকে হাজারও অনিয়ম ও দুর্নীতি হচ্ছে বলেও জানায় বাজার ব্যবসায়ীরা। ড্রেন নির্মাণে সিলেট পাথর ও বালু ব্যবহার করার কথা থাকলে তা না করে লোকাল বালু ও নিম্নমানের পাথর ব্যবহার হচ্ছে। ভালো মানের সিমেন্ট ব্যবহারের পরিবর্তে আরামিট ব্র্যান্ডের সিমেন্ট ব্যবহার হচ্ছে। এছাড়া কাদা ও পানিতে হচ্ছে ঢালাই। কাউকে বলেও কোন প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছেনা।

এই বিষয়ে কথা হয় এই কাজের দায়িত্বরত অফিসার বান্দরবান সড়ক ও জনপদ বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী পুণেন্দু বিকাশ চাকমার সাথে। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নিম্নমানের মালামাল ব্যবহারের বিষয়টি আমি অবগত নয়। স্থানীয়রা বলছে, কাজটি শুরুর পর থেকে সওজ বিভাগের দায়িত্বরত কোন অফিসারকে দেখা যায়নি। অফিসের কর্মচারী ও ড্রাইভাররা ইঞ্জিনিয়ারের দায়িত্ব পালন করছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এই পোর্টালের কোনো খেলা বা ছবি ব্যাবহার দন্ডনীয় অপরাধ।
কারিগরি সহযোগিতায়: ইন্টাঃ আইটি বাজার
iitbazar.com