• বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ০৭:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সাজেকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষুধ বিতরণ করেছে সেনাবাহিনী সীমান্ত সড়কের রাস্তার পাশে পড়েছিল মরদেহ,উদ্ধার করলো পুলিশ নড়াইলে ইয়াবা ও গাঁজাসহ একজন গ্রেফতার মানিকছড়িতে তৃণমূল উন্নয়ন সংস্থার আস্থা প্রকল্পের সভা অনুষ্টিত কাপ্তাই থানা পুলিশ এর পৃথক  অভিযানে চোলাই মদ ও গাজা সহ আটক : ৩ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে পানছড়িতে বিশ্ব শান্তি কামনায় মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে আজ শরিকদের সঙ্গে বসছেন প্রধানমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার এমপির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ এর নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানরা কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৪২% উপরে মাসিক মতবিনিময় সভায় সিন্দুকছড়ি জোন মহালছড়িতে বুদ্ধের ত্রিস্মৃতি স্মরনে বুদ্ধ পূর্ণিমায় মঙ্গল কামনা কাপ্তাইয়ে বুদ্ধ পূর্ণিমায় বিভিন্ন বিহারে  দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা

রামুতে প্রতিপক্ষের কোপাঘাতে গৃহবধূর মৃত্যু, আটক ৪

রামু উপজেলা প্রতিনিধি: / ৪৫২ জন পড়েছেন
প্রকাশিত : শুক্রবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২১

রামু উপজেলার চেইন্দা পশ্চিম খোন্দকার পাড়ায় প্রতিপক্ষের কোপাঘাতে ছালেহা বেগম (৩২) নামের গৃহবধূ নিহত হয়েছে। সে ওই এলাকার হাফেজ মাওলানা আলী জোহারের স্ত্রী।
এ সময় ছুরিকাঘাতে ছেলে মোহাম্মদ ইসমাইলও গুরুতর আহত হন।
বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে এই ঘটনাটি ঘটেছে। ছালেহা চার ছেলে সন্তানের জননী। ৭ মাসের একটি দুগ্ধজাত সন্তানও রয়েছে তার।
নিহতের লাশ জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ তারা হলেন- একই এলাকার আব্দুর রহমান, তার ছোট ভাই আব্দুল হাকিম, আব্দুল মালেক ও শ্যালক শফিউল আলম। আটককৃতরা বর্তমানে রামু থানা হেফাজতে রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান রামু থানার ওসি (তদন্ত) কুমার চৌধুরী। স্থানীয় ইউপি সদস্য ফরিদুল আলম জানিয়েছেন, কিছুদিন আগে আব্দুর রহমানের এক মেয়ে পরপুরুষের হাত ধরে পালিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার মেয়েটি উদ্ধার হয়। ঘটনার সঙ্গে ছালেহা বেগমের সম্পৃক্ততা আছে সন্দেহে ঘরে ঢুকে তাকে মারধর করে। এক পর্যায়ে কোপাঘাতে তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, আব্দুর রহমানের হাতে থাকা দায়ের কোপেই ছালেহা বেগমের মৃত্যু হয়।
নিহতের ছেলে মোহাম্মদ ইসমাইলের নিকট ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, আব্দুর রহমানের ছোট এক মেয়ে জরুরী প্রয়োজনের কথা বলে আমার মাকে ডেকে নিয়ে যায়। বাড়িতে যাওয়ামাত্র ঘরের ভেতরে ঢুকিয়ে দরজা বন্ধ করে ব্যাপক মারধর করে। খবর পেয়ে দরজা ভেঙ্গে মাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসি। পরে সদলবলে আবার আমার বাড়িতে এসে হামলা চালায়।
আব্দুর রহমানসহ কয়েকজন মিলে আমার মা ও আমাকে ব্যাপক মারধর করে। তাদের বেপরোয়া ছুরি ও দায়ের কোপাকাঘাতে আমি নিজেই আহত হই। পরে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে মাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ