• শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
খাগড়াছড়িতে পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের বিক্ষোভ মিছিল বেলকুচি উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে নিজকে গড়ে তুলে স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে ভুমিকা রাথতে হবে -বাবুল দাস কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে লজ্জাবতী বানর অবমুক্ত কাপ্তাই বিএসপিআই শিক্ষার্থীদের ওপর ফের হামলা, ৪ জন আহত এম কে বাঘাবাড়ী ঘি কোম্পানির উৎপাদনকারী মো: কামাল উদ্দিনের ১ বছরের কারাদণ্ড কোটা সংস্কারের দাবিতে  কাপ্তাই বিএসপিআই এ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল দিনেদুপুরে কৃষকের বাড়িতে হামলা লুটপাট রাঙামাটি সদর জোনের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ প্রদান আলীকদম সেনা জোন কর্তৃক মানবিক সহায়তা প্রদান পানছড়ি মাদ্রাসায় অব্যবস্থাপনা ও অবৈধ নিয়োগ বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন খাগড়াছড়িতে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষ্যে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের শহীদ কুঞ্জে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, নিজস্ব সংবাদদাতা, লামা / ২৭৬ জন পড়েছেন
প্রকাশিত : সোমবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২২

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উপলক্ষে বান্দরবানের লামার কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থী শহীদ কুঞ্জে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে। ২১ ফেব্রুয়ারি সোমবার প্রথম প্রহরে কোভিড সচেতনতার বিষয়টি মাথায় রেখে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদনের আয়োজনটি গত বছরের মতো এবারও পালিত হয়েছে সীমিত পরিসরে।

প্রভাতফেরি, শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ, এরপর শিক্ষার্থীদের নিয়ে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিষয়ে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়াও কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের হাই স্কুল ক্যাম্পাসে সকাল সাড়ে ৯টায় ভাষা শহীদ ও বিশ্বের প্রতিটি মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। শুধু বাংলা ভাষা নয় চাকমা, মারমা, ম্রো, সাঁওতাল, গারোসহ বিশ্বের সকল জাতিগোষ্ঠীর ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়েছ এই অনুষ্ঠানে।

কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ২০০৮ সাল থেকে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাচ্ছে একটু ভিন্নভাবে। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের রয়েছে মাতৃভাষা ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের জন্যে বিশেষ একটি স্থান ‘শহীদ কুঞ্জ’।

বৃক্ষঘেরা ‘শহীদ কুঞ্জ’ সম্পর্কে জানতে চাইলে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের ইনচার্জ সালেহ আহমেদ বলেন, ‘শহীদরা অমর। তাদের দৈহিক মৃত্যু হতে পারে। কিন্তু তাঁরা আগামী প্রজন্মের হৃদয়ে বেঁচে থাকে ত্যাগের উদাহরণ হিসেবে। তাই ইট-সিমেন্ট-পাথরের কোনো অবকাঠামো না বানিয়ে, আমরা শহীদদের স্মরণে গাছ লাগিয়েছি। আমাদের এই চত্বরে ১২টি শিমুল গাছ আছে। প্রথম ৫টি ৫ জন ভাষা শহীদদের স্মরণে আর বাকি ৭টি মুক্তিযুদ্ধের বীরশ্রেষ্ঠদের স্মরণে লাগানো হয়েছে। এগুলো চারা থেকে এখন বৃক্ষে পরিণত হয়েছে। এই গাছগুলো থেকে মানুষ, পশুপাখি ও প্রকৃতি যত উপকৃত হবে তা এই শহীদদের জন্যে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে সংযোজিত হতে থাকবে। আর গাছের যত্ন একদিন নিলে হয়, না, প্রতিদিন নিতে হয়। তাই শুধু একটি দিন নয়, আমরা তাদের ৩৬৫ দিন স্মরণ করি গাছগুলো পরিচর্যার মাধ্যমে। দেশের জন্যে শহীদদের অবদান যেহেতু সবচেয়ে বেশি, তাই তাদের সর্বোত্তম সেবা ও সম্মান দেয়ার ক্ষুদ্র প্রয়াস আমাদের এই ‘শহীদ কুঞ্জ’।’

আজ থেকে ৭০ বছর আগে মাতৃভাষার অধিকার রক্ষায় জীবন উৎসর্গ করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন বাংলার অকুতোভয় সন্তানেরা। মায়ের ভাষার জন্যে ত্যাগের এই ইতিহাসকে স্বীকৃতি দিয়ে ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালে দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। সেই থেকে এই দিনটি সারা বিশ্বে পালিত হয়ে আসছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ