• সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ০৮:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
দিনেদুপুরে কৃষকের বাড়িতে হামলা লুটপাট রাঙামাটি সদর জোনের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ প্রদান আলীকদম সেনা জোন কর্তৃক মানবিক সহায়তা প্রদান পানছড়ি মাদ্রাসায় অব্যবস্থাপনা ও অবৈধ নিয়োগ বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন খাগড়াছড়িতে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষ্যে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কাপ্তাইয়ে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা প্রাথমিক বিদ্যালয়  ফুটবল টুর্ণামেন্ট শুরু  কাপ্তাই বন বিভাগের পক্ষ হতে শিক্ষার্থীদের গাছের চারা বিতরণ  কাপ্তাই রাহাত স্টোরে ৩৫ প্রকার চা এবং হরেক রকম পান পাওয়া যায়  খাগড়াছড়ি গুইমারা থানা পুলিশের অভিযানে গাজাসহ আটক-২ রাজস্থলীতে উৎসব মুখর পরিবেশে বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল সম্পন্ন কাপ্তাইয়ের  শিলছড়িতে সামাজিক শৃঙ্খলা কমিটি গঠন  বীর মুক্তিযোদ্ধার পরলোকগমন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সতকার

ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো পেরিয়ে ফুটবলকন্যাদের বাড়িতে খাগড়াছড়ি জেলা প

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ৪৮১ জন পড়েছেন
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২১

কাঁচা রাস্তা এবং ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো পার হয়ে ফুটবলকন্যা আনাই মগিনী ও আনুচিং মগিনীর সাত ভাইয়াপাড়া গ্রামের বাড়ি পরিদর্শন করেছেন, খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস। তিনি বুধবার দুপুরে তাদের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে আনাই ও আনুচিং মগিনীর পরিবারের খোঁজ-খবর নেন তিনি।

প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, আনাই ও আনুচিং বাংলাদেশের গর্ব। সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে আনাই মগিনী গোল করে দেশের সবার মুখ উজ্জ্বল করেছে। তাদের প্রতিও খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক, সরকারি-বেসরকারি এবং সকল স্বায়ত্তশাসিক প্রতিষ্ঠান সহ আমরা যে যার যার অবস্থান থেকে তাদের পাশে দাঁড়ানোর দায়বদ্ধতা রয়েছে। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই তাদের পাশে দাঁড়াতে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে আনাই ও আনুচিং মগিনী দুই বোনের জন্য দুই লাখ টাকা করে চার লাখ টাকার এফডিয়ার করে দেয়ার ঘোষণা করছি।

এছাড়াও পরিবারের সুপেয় পানি জন্য একটি ডিপ টিউবওয়েল, বৈদ্যুতিক সুবিধার জন্য ৩ টি বৈদ্যুতিক খুটি, কাঁচা রাস্তা পাকা, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোরস্থলে ব্রিজ এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়ারও ঘোষণা দেন জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস।

এসময়, শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব কংকন চাকমা, খাগড়াছড়ি জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জুয়েল চাকমা, খাগড়াছড়ি সাংবাদিক ইউনিয়ন (কেইউজে)’র সভাপতি প্রদীপ চৌধুরী, ক্রীড়া সংস্থার অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক ধুমকেতু মারমা, কোষাধ্যক্ষ বৈইরি মিত্র চাকমা, নির্বাহী সদস্য পরিমল কর্মকার এবং ফুটবলকন্যা আনুচিং মগিনীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

আনাই ও আনুচিং মগিনী যমজ বোন। বাড়ি পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির সদর উপজেলাধীন গোলাবাড়ি ইউনিয়নের সাত ভাইয়াপাড়া এলাকায়। বাঁশের সাঁকো হয়ে তাদের বাড়িতে যেতে হয়। নেই কোনো রাস্তা। এমন প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে উঠে এসে দুই বোন একসঙ্গে খেলছেন বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলে। তারা এখন শুধু পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির নয় সারাদেশের মানুষের কাছে পরিচিত মুখ। তাদের নিয়ে গর্বিত পরিবার ও এলাকাবাসী।

গত ২২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। সেই একমাত্র গোলটিই করেছিলেন আনাই মগিনী। তার এক গোলই বাংলাদেশের বিজয় এনে দিয়েছে।

ঢাকা কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে দেশের হয়ে ভারতের বিপক্ষে একমাত্র গোলটি করার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশংসায় ভাসছেন এই নারী ফুটবলাররা। আনন্দ-উল্লাসে মেতেছেন পরিবারের সদস্য ও গ্রামের বাসিন্দারা।

আনাই মগিনী-আনুচিং মগিনী খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার গোলাবাড়ি ইউনিয়নের সাত ভাইয়াপাড়া এলাকার রেপ্রু মগ ও আপ্রুমা মগিনীর যমজ মেয়ে। সাত ভাইবোনের মধ্যে ছোট দুই বোন আনাই মগিনী ও আনুচিং মগিনী। তারা বাংলাদেশ ফুটবল টিমে খেলেন। বাকি দুই বোনের বিয়ে হয়ে গেছে। তিন ভাইও বিয়ে করে সংসার করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ