• শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০২:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রুমায় তুমুল গোলাগুলি আতঙ্ক, হতাহতের শঙ্কা বর্ণাঢ্য আয়োজনে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে বৈসাবি ফুটবল টুর্নামেন্টে অংম্রাং ক্লাব চ্যাম্পিয়ন বান্দরবানে জলবায়ু ধর্মঘট করেছে ইয়ুথনেট বান্দরবানে যৌথ অভিযানে গণগ্রেফতার ও হয়রানির প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে পিসিপির বিক্ষোভ মিছিল মানিকছড়িতে সাংগ্রাই উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী বলি খেলা অনুষ্ঠিত সামাজিক অনুষ্ঠানে প্রার্থীদের সবর উপস্থিতি অসাম্প্রদায়িক ও স্মার্ট জনপদ গড়ার অঙ্গীকার তীব্র দাবদাহ বিদ্যুৎ বিভ্রাট পোল্ট্রি খামারে হাঁসফাঁস অবস্থা! খাগড়াছড়ি পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের সম্মেলন ২০ এপ্রিল ব্যাংকে হামলা: ১৮ নারীসহ ৫৩ কেএনএফ সন্ত্রাসীর রিমান্ড মঞ্জুর

খুব কাছে থেকে দেখা পাহাড়ের রাজনীতির হালচাল

এস চৌধুরী, কাপ্তাই, রাঙ্গামাটি / ৭০৬ জন পড়েছেন
প্রকাশিত : শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২০

পাহাড়ের মানুষ,অত্যান্ত সরল প্রকৃতির।তবে গাদ্দার বেঈমান,চুবলিকোরদের দু মিনিট ও সময় দিবে না পৃথিবী থেকে বিদায় দিতে। দীর্ঘ সময়ের অভিজ্ঞতায় এক পাহাড়ী জনগোষ্ঠীর যোদ্ধাকে নিয়ে আজকের প্রতিবেদন। তার সাক্ষাৎকারে এই বক্তব্য উঠে এসেছে তাদের আঞ্চলিক দলের রাজনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপট।অত্যান্ত ভয়ে ভয়ে জীবনের শংকা রয়েছে তাই কাটছিট করে বক্তব্য দিয়েছেন।তার বক্তব্য তুলে ধরা হলো আমার লেখনীতে।

১৯৯৪ সালে ভারত হতে ১৬দফা প্যাকেজের চুক্তিতে শরণার্থী হিসাবে প্রত্যাবর্তনের পর তৎকালীন পিসিপি নেতাদের জ্বালাময়ী বক্তব্য আমাকে আবেগে উদ্বেলিত করতো। যতদুর মনে পড়ে তখন শুধু পিসিপি নেতাদের বক্তব্য শুনার জন্য আমরা কয়েকজন ছাত্র রিগুলার ক্লাশ কামাই করতাম।

এমনও দিন গেছে পিসিপির কোন মিছিল মিটিং থাকলে সেদিন পাহাড়ী অধ্যুষিত যে কোন স্কুল কলেজ একদম খালি হয়ে যেতো। প্রতিষ্টানগুলির সকল পাহাড়ী ছাত্র ছাত্রীরা সানন্দে ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেই মিছিলে অংশগ্রহণ করে মিছিল সফল করতো।

পিসিপি নেতাদের দৃঢ়তা দেখে তখন আমি মনে মনে ভাবতাম। আমিও অচিরেই রাজনীতিতে যোগ দেবো কিন্তু ১৯৯৭ চুক্তির পর অরাজক রাজনীতি যোগ হলে আমি রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার পরিবর্তে কৃষিকাজে মনোনিবেশ করলাম।

কৃষিকাজে মনোনিবেশ করলেও এখন আমার খুব ইচ্ছে করে। সম্পুর্ণ নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোন থেকে আমার দেখা অতীতের পার্বত্য রাজনীতি নিয়ে কিছু লিখি।

জে এস এস, সংস্কার পন্থী (মানবেন্দ্র লারমা) এক জন সক্রিয় সদস্য রতন জুম্মা জানান একান্ত মানবেন্দ্র লারমার নীতি আদর্শকে বাস্তবায়ন করার জন্যই দীর্ঘদিন সংগঠন এর সাথে রয়েছি।

জে এস এস পন্থী (মানবেন্দ্র লারমা) অনিক বাবু জানান পাহাড়ের রাজনৈতিক দলগুলোর রাজনৈতিক নেতারা নীতি গত ভাবে এক জায়গায় পৌঁছাতে না পারলে কখনও পাহাড়ে শান্তি ফিরে আসবেনা।

ইউ পি ডি এফ পন্থী (প্রশীত খীসা) একজন সক্রিয় সদস্য ডাইমন জানান পরিবার পরিজন ছেড়ে পাহাড়ে নিজস্ব স্বকীয়তাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য পড়ে আছি।

আর একজন ইউ পি ডি এফ পরিচালক অলকেশ বাবু একান্ত এক সাক্ষাৎ কারে জানান তোমরা লেখা পড়া শিখেছ,বড় বড় ইন্জিনিয়ার হয়েছ,বড় বড় চেয়ারে বসে আছ,ভাল সরকারি চাকুরী পেয়েছ।আর আমরা মাস্টার্স পাশ করেও ঝাড়ে জঙ্গলে ঘুরতেছি।আমাদের সন্তানেরা আমাদের চিনে না।

ইউ পি ডি এফ এর বিচার বিভাগের প্রধান এডভোকেট কার্তিক বাবু জানান কখন যে স্বাধীনতা আসবে এ নিয়ে সংসয় রহিয়াছে।

জে এস এস এর(সন্তু লারমা) সমীরন বাবু জানান সরকারের শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে গড়ি মসি আরও একধাপ পিছিয়েছে পাহাড়ে আদিবাসী গোষ্ঠীর নিজস্ব সত্বাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার প্রক্রিয়া।

বর্তমান পাহাড়ে ৪টি আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল ও এই ৪টি দলের অনেক নেতাকর্মী আমার ফেসবুকের বন্ধু তালিকায় আছেন। ৪টি দলের নেতাকর্মীদের নিকট হতে অভয় পেলে আমি আবারো আমার পুর্বেকার লেখার মতন “আমার দেখা পাহাড়ের রাজনৈতিক দলগুলোর হালচাল ” বিষয়ে ধারাবাহিক ভাবে লিখবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ