শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ০৭:২৫ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ

হ্যাঁ, এলাকা আমার, খবর আমার, পত্রিকা আমার। সাফল্যের ২ বছর শেষে ৩ তম বছরে দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ। নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সবচেয়ে বেশি স্থানীয় সংস্করন নিয়ে "দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ" বিশ্লেষন আমাদের, সিদ্ধান্ত আপনার। দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ পত্রিকায় শুন্য পদে সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে। আপনার এলাকায় শুন্য পদ রয়েছে কিনা জানতে কল করুনঃ 01647627526 অথবা ইনবক্স করুন আমাদের পেইজে। ভিজিট করুনঃ parbattakantho.com দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ। সত্য প্রকাশে সাহসী যোদ্ধা আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়বো

লংগুতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেেক্স জনবল সংকটে স্বাস্থ্য সেবা ব্যহত

মোঃ আলমগীর হোসেন, লংগদু (রাঙামাটি) প্রতিনিধিঃ
  • প্রকাশিত : সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৮৯ জন পড়েছেন

রাঙামাটির লংগদুতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আছে, জনবল নেই। জনবল সংকটের মধ্য দিয়ে চলছে হাসপাতালটির স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম। তবে রোগীরা বঞ্চিত হচ্ছে কাঙ্খিত সেবা থেকে। ১৫০ বর্গমাইল এর উপজেলায় ৭টি ইউনিয়নে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার লোকের চিকিৎসা ভরসাস্থল ৩০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি। জনসংখ্যার আনুপাতিক হারে সেবা দিতে পারছে না হাসপাতালটি।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, ৩০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে ১০১জন জনবল থাকার নিয়ম থাকলে ও বর্তমানে আছে ৪৯ জন। নূন্যতম চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য যতজন জনবল প্রয়োজন, বতর্মানে তাও নেই।
জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জুনিয়র কনসালট্যান্ট (গাইনি), জুনিয়র কনসালট্যান্ট (মেডিসিন), জুনিয়র কনসালট্যান্ট (সার্জারি), জুনিয়র কনসালট্যান্ট (অ্যানেসথেসিয়া) এবং মেডিক্যাল অফিসারের ৯ পদসহ সব শূন্য। এ ছাড়া ৮ সিনিয়র স্টাফ নার্স, ২ মিডওয়াইফ (ধাত্রী), ২ মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব), ৭ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার ও ২ স্বাস্থ্য পরিদর্শকের পদশূন্য রয়েছে।
অন্যদিকে, ৪ সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক, ক্যাশিয়ার, সহকারী নার্স, ৭ স্বাস্থ্য সহকারী, সহকারী বাগানমালী, ৩ অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর ও ১৪ জন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর পদশূন্য আছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি মাত্র অ্যাম্বুলেন্স, যা প্রায় সময় নষ্ট হয়ে পড়ে থাকে।
এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন চিকিৎসা লাভের আশায় শতশত রোগী ভিড় করে। কিন্তু অনেক সময় ঔষুধপত্র তো দূরের কথা চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্রও জুটে না রোগীদের ভাগ্যে। বেশিরভাগ সময় উপ-সহকারীদের উপর নির্ভর করতে হয় রোগীদের। এক্সরে ও ইসিজি মেশিন বিকল। ফলে এ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে রোগীরা।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অরবিন্দ চাকমা কর্মচারী সংকটের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে বিষয়গুলো অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু বারবার বলার পরেও আমরা আশানুরুপ জনবল পাচ্ছি না। ফলে সেবা পূর্বের ন্যায় ব্যাহত হচ্ছেই, তবুও আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করি যেন দুর্গম এই পার্বত্য জনপদের মানুষ গুলো কিছুটা হলেও ভালো চিকিৎসা সেবা পায়। তিনি আরো বলেন, দ্রুতই জনবল সংকটের বিষয়টি সমাধানের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট আবারো আবেদন করবো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এই পোর্টালের কোনো খেলা বা ছবি ব্যাবহার দন্ডনীয় অপরাধ।
কারিগরি সহযোগিতায়: ইন্টাঃ আইটি বাজার
iitbazar.com