• রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শান্তি চুক্তির ৬৫টি ধারা সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে- জাতিসংঘে বাংলাদেশ শান্তিচুক্তির অগ্রগতি জাতিসংঘে তুলে ধরল বাংলাদেশ পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত- লোকমান সভাপতি, মাসুম রানা সম্পাদক কেএনএফ’র সন্ত্রাসী তৎপরতার প্রতিবাদ জানিয়েছে ১১টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী রুমায় তুমুল গোলাগুলি আতঙ্ক, হতাহতের শঙ্কা বর্ণাঢ্য আয়োজনে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে বৈসাবি ফুটবল টুর্নামেন্টে অংম্রাং ক্লাব চ্যাম্পিয়ন বান্দরবানে জলবায়ু ধর্মঘট করেছে ইয়ুথনেট বান্দরবানে যৌথ অভিযানে গণগ্রেফতার ও হয়রানির প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে পিসিপির বিক্ষোভ মিছিল মানিকছড়িতে সাংগ্রাই উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী বলি খেলা অনুষ্ঠিত

সন্তানের পিতৃপরিচয় ও ভরনপোষণ পেতে আদালতের দ্বারস্থ হলেন মা

হ্যাপী করিম, স্টাফ রিপোর্টার (মহেশখালী) কক্সবাজার: / ৮৫৯ জন পড়েছেন
প্রকাশিত : সোমবার, ৬ মার্চ, ২০২৩

মহেশখালী উপজেলার ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের খালের উত্তর কুল গ্রামের মৃত জকরিয়া কন্যা কোহিনূর আক্তার বিয়ে হয় বড় মহেশখালী ইউনিয়নের ছোট কুলালপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ রশিদ পুত্র কলিম উল্লাহ সাথে। তবে এই কলিম উল্লাহ ছিলো কোহিনূর তালতো ভাই যার শুবাদে পারিবারিক অমতে চট্টগ্রাম আগ্রবাদ কাজী অফিসে ইসলামি শরিয়ত মতে ৩,৫০,০০০/= টাকা দেন মোহরানায় নগদ ৫০,০০০/= এবং বাকী ৩,০০০০০/= লক্ষ টাকায় বিবাহ সম্পন্ন, দীর্ঘদিন চট্টগ্রাম থাকাকালীন তাদের সংসারে একটি ফুটফুটে কন্যা সন্তান জন্ম হয় পরবর্তীতে গ্রামের বাড়িতে এতে মাছুমা আক্তার ও পিতা রশিদের কান কথায় পারিবারিক কলহের কারণে এক বছরের সন্তান নিয়ে বিবাহ-বিচ্ছেদ হয়। অদ্যাবধি
পিতৃপরিচয় ও ভরনপোষণ চায়তে গিয়ে মা কোহিনূর আক্তার হামলার শিকার ও প্রতিনিয়ত হত্যার হুমকি দিয়ে আসাতে কক্সবাজার নারী শিশু দমন আইনে একটা মামলা করেন। বতর্মান মামলাটি আদালতে চলমান রয়েছে।
ভুক্তভোগী কোহিনূর আক্তার বলেন, এমত অবস্থায় কলিম উল্লাহ দ্বিতীয় বিয়ে করে শাকিলা আক্তারকে এ সংবাদের পর তার সন্তানের ভরনপোষণ চাইতে এলে স্বামী কলিম উল্লাহ দেন মোহর বাবদ ৩ লক্ষ হতে মাত্র ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা আমার বরাবর প্রেরণ করে। তারপর থেকে আমাদের স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক ছিন্ন হয়। পরে আমি আমার একমাত্র শিশু কন্যা সন্তান’কে নিয়ে ২০১১ সালে দ্বিতীয় বিয়ে বসে দোয়াজারী এলাকায় জীবন যাপন করতে থাকি দীর্ঘ ১৩ বছর কোন অবস্থাতে এক দিনের জন্য আমার শিশু কন্যা ছামিহা করিম মুক্তা তার পিতার আদর পায়নি, ছিল তার নানার বাড়ীতে, পরবর্তীতে স্বামী’র অনুমতিক্রমে আমার সংসারে নিয়ে আসি, সেই বর্তমানে দোয়াজারী হাই স্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেনীর শিক্ষার্থী। তার আসল বাবার বাড়ী পাশে মুক্তার খালার বাড়ী গেলে বিভিন্ন ভাষায় তাকে গালিগালাজ করে এবং আমার সন্তানের পিতৃ পরিচয় না দিতে জানায়ে দেয়। এমতাবস্থায় সম্প্রতি গত ২ ই মার্চ  আমার বড় বোনের বাসায় যাওয়ার পথে ছোট কুলালপাড়া রাস্তার উপর পৌঁছাই। সেখানে লাঠি লোহার রডসহ পূর্ব হতে ওৎ পেতে থাকা সাবেক কলিম উল্লাহ ও তার ভাই আমাদের গাড়ী গতিরোধ করে আমাকে গালিগালাজ করতে থাকে। এসময় আমি প্রতিবাদ করলে তাদের সাথে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে লোহার রড দ্বারা ও লাঠি দিয়ে আমার আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারপিট করে জখম করে। আমার গালার স্বর্নের চেইন নিয়ে নেয়, ওড়না দিয়ে আমার গলায় পেচিয়ে দুই মুখ দুই দিক দিয়ে টেনে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করে। পরে এটি জানতে পারলাম আমি নারী শিশু দমন আইনে মামলা করায় ক্ষিপ্ত হয়ে এ ঘটনা ঘটায়। এসময় আমার ডাক চিৎকারে পথচারীরা এসে আমাকে উদ্ধার করে মহেশখালী হাসপাতালে ভর্তি করে। এই ঘটনায় কোথাও কোন মামলা করলে আমাকে হত্যার হুমকি দেয় কলিম উল্লাহ। বর্তমান অবস্থায় আমি আমার সন্তানের দীর্ঘদিন ১৩ বছরের ভরনপোষণ, পিতৃপরিচয়সহ প্রশাসনের কাছে ন্যায় বিচারের আবেদন করছি।
এম/এস


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ