• শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ০৯:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
খাগড়াছড়িতে পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের বিক্ষোভ মিছিল বেলকুচি উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে নিজকে গড়ে তুলে স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে ভুমিকা রাথতে হবে -বাবুল দাস কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে লজ্জাবতী বানর অবমুক্ত কাপ্তাই বিএসপিআই শিক্ষার্থীদের ওপর ফের হামলা, ৪ জন আহত এম কে বাঘাবাড়ী ঘি কোম্পানির উৎপাদনকারী মো: কামাল উদ্দিনের ১ বছরের কারাদণ্ড কোটা সংস্কারের দাবিতে  কাপ্তাই বিএসপিআই এ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল দিনেদুপুরে কৃষকের বাড়িতে হামলা লুটপাট রাঙামাটি সদর জোনের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ প্রদান আলীকদম সেনা জোন কর্তৃক মানবিক সহায়তা প্রদান পানছড়ি মাদ্রাসায় অব্যবস্থাপনা ও অবৈধ নিয়োগ বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন খাগড়াছড়িতে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষ্যে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

তিস্তার ভাঙন রোধ ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে নদী তীরে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ৪৫৮ জন পড়েছেন
প্রকাশিত : সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় তিস্তা নদীর অব্যাহত ভাঙন ঠেকাতে ও নদী সংস্কারে সরকারের দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেছে নারী-পুরুষ-শিশুসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।

সোমবার (০৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভাঙন কবলিত এলাকাবাসীর আয়োজনে উপজেলার ঘড়িয়াল ডাঙ্গা ইউনিয়নের চর খিতাঁব খা গতিয়াশাম এলাকায় তিস্তা নদীর পাড়ে মানববন্ধন করে স্থানীয়রা।

এসময় বক্তব্য রাখেন- তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. তুহিন ওয়াদুদ, তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা ড. এস এম শফিকুল ইসলাম কানু, ঘড়িয়াল ভাংগা ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য শহিদুল ইসলাম ও মহুবর রহমান, স্থানীয় ব্যবসায়ী ওয়াজেদ আলী প্রমুখ।

বক্তারা অভিযোগ করে বলেন- তিস্তা নদীর অব্যাহত ভাঙনে এ পর্যন্ত স্কুল, মসজিদ, শত শত ঘর-বাড়ি, রাস্তা ও আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলিন হয়ে সর্বশান্ত হয়েছে কয়েক শত পরিবার।

হুমকিতে রয়েছে চড় গতিয়াশাম, শরিষা বাড়ি, বুড়িরহাট, চর খিতাঁব খা, কালীর মেলা, গাবুর হেলানসহ আরো কয়েকটি এলাকা। নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন এই সব এলাকার মানুষগুলো।

বক্তারা আরো বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত ত্রাণ না পাওয়ায় অনাহারে, অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছেন দুর্গতরা। ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি তাদের নদীগর্ভে বিলিন হওয়া বসতভিটা ও আবাদি জমির ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ