• রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ০২:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঈদ উপলক্ষে হরিহরনগর ইউনিয়ন পরিষদে ভিজিএফের চাল বিতরণ বাগেরহাটে বেআইনীভাবে প্রস্তুত হচ্ছে শামুকের খোলস পুড়িয়ে চুন ২ এপিবিএন, মেঘলা, বান্দরবান কর্তৃক একজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার দেশ সেরা এটিও কাপ্তাইয়ের আশীষ কুমার আচার্য্য বাকী আছে ১দিন-গরু বাজারে ভীড় ক্রেতা ও বিক্রেতার শার্শা বেনাপোল বন্দরের ৫ দিন বন্ধ থাকবে আমদানি-রপ্তানি মোংলায় দিন দুপুরে দোকান ঘর ভাংচুর ও জবর দখলের চেষ্টা লংগদুতে বজ্রপাতে নিহত ৪ নিখোঁজ ১ মহালছড়ি সেনা জোনের উদ্যোগে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ মাটিরাঙায় সেনাবাহিনীর বিশেষ মানবিক সহায়তা কাপ্তাই শিল্প এলাকা হতে উদ্ধার ১২ টি পান কৌড়ি  শেখ রা‌সেল এভিয়ারী এন্ড ইকো-পার্কে হস্তান্তর  আসছে সামনে ঈদুল আযহা উপলক্ষে কোরবানির গরুর হাট

কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮২তম প্রয়াণ দিবস আজ

মাসুদ রানা, স্টাফ রিপোর্টার / ২৯৫ জন পড়েছেন
প্রকাশিত : রবিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৩

আজ ২২শে শ্রাবণ। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮২তম প্রয়াণ দিবস। মহাকালের চেনাপথ ধরে প্রতিবছর বাইশে শ্রাবণ আসে।

বিশ্বকবির প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে আজ রোববার বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বেতার ও বেসরকারি টেলিভিশনগুলো এ উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করবে।

শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথের শেষ দিনগুলোতে কখনো তিনি ছিলেন শয্যাশায়ী, কখনো মন্দের ভালো। শেষের দিকে ১৯৪১ সালের ২৫ জুলাই, শান্তিনিকেতনের আশ্রমে বালক-বালিকাদের ভোরের সংগীত অর্ঘ্য তিনি গ্রহণ করেন তাঁর উদয়ন গৃহের পূবের জানলার কাছে বসে। উদয়নের প্রবেশদ্বার থেকে ছেলেমেয়েরা গেয়ে উঠে কবিরই লেখা ‘এদিন আজি কোন ঘরে গো খুলে দিল দ্বার, আজি প্রাতে সূর্য ওঠা সফল হলো আজ।’

রবীন্দ্র জীবনীকার প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায় ‘রবীন্দ্রজীবন কথা’য় কবির মৃত্যু নিয়ে লেখেন, ‘শান্তিনিকেতনে কবি এর মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়েন। দেহ আর চলছিল না, চিকিৎসা ও সেবারও ত্রুটি নেই। অবশেষে ডাক্তাররা পরামর্শ করে ঠিক করলেন, অপারেশন ছাড়া উপায় নেই। ৯ শ্রাবণ (২৫ জুলাই) শান্তি নিকেতন থেকে কবিকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হলো। শান্তিনিকেতনের সঙ্গে অনেক বছরের স্মৃতি জড়িত কবি কি বুঝতে পেরেছিলেন, এই তাঁর শেষ যাত্রা? যাবার সময় চোখে রুমাল দিচ্ছেন দেখা গেছে।’

৩০ জুলাই জোড়াসাঁকোর বাড়িতে কবির শরীরে অস্ত্রোপাচার হয়। তার কিছু পূর্বে শেষ কবিতা রচনা করেন—‘তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করি, বিচিত্র ছলনাজালে হে ছলনাময়ী।’

রবীন্দ্র জীবনী থেকে জানা যায়, মৃত্যুর মাত্র সাত দিন আগে পর্যন্তও কবি সৃষ্টিশীল ছিলেন। জোড়াসাঁকোর রোগশয্যায় শুয়ে শুয়ে তিনি বলতেন, আর রানি চন্দ তা লিখে নিতেন। কবি বলে গেছেন, ক্রমশ ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন কবিতাটি বলতে বলতে। দিনটা ছিল কবির শেষ বিদায়ের দিন কয়েক আগে চৌদ্দই শ্রাবণ। রানি চন্দ সেদিন সূত্রধরের মতো লিখেও নেন রবীন্দ্রনাথের উবাচ কবিতাটি—‘তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করি।’

চিকিৎসকেরা কবির অস্ত্রোপাচার করলেন, কিন্তু তা নিস্ফল হয়। অবস্থা দ্রুত মন্দের দিকে যেতে লাগল। তিনি জ্ঞান হারালেন। শেষ নিশ্বাস পড়ল রাখীপূর্ণিমার দিনে, বাংলা ১৩৪৮ সালের ২২শে শ্রাবণ। জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ির ঘড়িতে তখন দুপুর ১২টা বেজে ১০ মিনিট, অমৃত আলোকের নতুন দেশে চলে গেলেন কবি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ