• রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শান্তি চুক্তির ৬৫টি ধারা সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে- জাতিসংঘে বাংলাদেশ শান্তিচুক্তির অগ্রগতি জাতিসংঘে তুলে ধরল বাংলাদেশ পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত- লোকমান সভাপতি, মাসুম রানা সম্পাদক কেএনএফ’র সন্ত্রাসী তৎপরতার প্রতিবাদ জানিয়েছে ১১টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী রুমায় তুমুল গোলাগুলি আতঙ্ক, হতাহতের শঙ্কা বর্ণাঢ্য আয়োজনে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে বৈসাবি ফুটবল টুর্নামেন্টে অংম্রাং ক্লাব চ্যাম্পিয়ন বান্দরবানে জলবায়ু ধর্মঘট করেছে ইয়ুথনেট বান্দরবানে যৌথ অভিযানে গণগ্রেফতার ও হয়রানির প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে পিসিপির বিক্ষোভ মিছিল মানিকছড়িতে সাংগ্রাই উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী বলি খেলা অনুষ্ঠিত

গোয়ালন্দে সরকারি খাল হতে বালু উত্তোলন ঘরবাড়ি-ফসলী জমি ধ্বসে যাওয়ার আশংকা

সাইফুর রহমান পারভেজ,গোয়ালন্দ প্রতিনিধিঃ / ১০৯ জন পড়েছেন
প্রকাশিত : রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২২

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের জৈনদ্দিন সরদার পাড়া এলাকায় প্রবাহমান সরকারি খাল হতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এতে করে খালপাড়ের বসতবাড়ী, ভিটেমাটি, মসজিদ, মাদ্রাসা ও প্রাইমারি স্কুল ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। ভুক্তভোগী এলাকাবাসী অবিলম্বে ড্রেজার মেশিন বন্ধ করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মো. ইসমাইল খা। তিনি স্থানীয় রোকন উদ্দিন খানের ছেলে। উত্তোলিত বালু তিনি অন্যত্র বিক্রি করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগসাজশে বেশ কিছুদিন ধরেই এভাবে বালু তুলছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয়রা তাকে বাঁধা দিতে গেলে তিনি নানা ধরনের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, একটি বড় ড্রেজার মেশিন দিয়ে সেখান থেকে বালু তোলা হচ্ছে। এতে আশপাশের পাড় ভেঙে পড়ছে। এ সময় ড্রেজার মেশিন বন্ধের দাবিতে বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী নানা ধরনের স্লোগান দিতে থাকেন।
আলাপকালে মো. হাসেম মন্ডল, রফিকুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন, মো. শহিদসহ কয়েকজন বলেন, শুকনো মৌসুমে এই খালের জমিতে তারা বোরো ধান, সরিষাসহ নানা ধরনের কৃষি ফসলের আবাদ করে থাকেন। কিন্তু ৩০/৪০ ফুট গভীর করে বালু তোলার ফলে অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই তাদের বসতভিটা, বাড়িঘর ও ফসলী জমি ধ্বসে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। আমরা বাঁধা দিতে গেলে নানা ধরনের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।
আনোয়ারা বেগম, আকলিমা খাতুন, সাহেরা খাতুন সহ কয়েকজন মহিলা বলেন, শুকনো মৌসুমে এই খালে পানি থাকে না। এখন বাড়ির পাশে এত গভীর করে বালু তোলা হলে তাদের শিশু বাচ্চাদের এই গভীর পানিতে পড়ে প্রানহানির আশংকা রয়েছে।
অভিযুক্ত ইসমাইল খা মুঠোফোনে দাবি করে বলেন, তিনি সরকারী খাল থেকে বালু উত্তোলন করছেন না। পাশেই তার নিজের জমি রয়েছে। সেখান হতে বালু তুলছেন। এতে কারো কোন সমস্যা হচ্ছে না।
গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন বলেন, অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে এসিল্যান্ডকে নির্দেশ দিয়েছি। গোয়ালন্দ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আশরাফুর রহমান বলেন, ৮/১০ দিন আগেও একবার ওই ড্রেজারটি বন্ধ করে দিয়ে আসি। তাদের বিরুদ্ধে থানায় নিয়মিত মামলা হওয়ার দরকার। তারপরও আমি বিষয়টি দেখছি।

এম/এস


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ