মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩, ০১:১৭ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ

হ্যাঁ, এলাকা আমার, খবর আমার, পত্রিকা আমার। সাফল্যের ২ বছর শেষে ৩ তম বছরে দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ। নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সবচেয়ে বেশি স্থানীয় সংস্করন নিয়ে "দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ" বিশ্লেষন আমাদের, সিদ্ধান্ত আপনার। দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ পত্রিকায় শুন্য পদে সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে। আপনার এলাকায় শুন্য পদ রয়েছে কিনা জানতে কল করুনঃ 01647627526 অথবা ইনবক্স করুন আমাদের পেইজে। ভিজিট করুনঃ parbattakantho.com দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ। সত্য প্রকাশে সাহসী যোদ্ধা আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়বো

ফরিদপুরে নবজাতক কপাল কেটে ফেলেছে নার্স ও আয়া

কামরুল হাসান জুয়েল, ফরিদপুর থেকে:
  • প্রকাশিত : সোমবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৬৭ জন পড়েছেন

ফরিদপুরে নবজাতক প্রসব করাতে গিয়ে চিকিৎসকের অনুপস্থিতিতেই প্রসূতি মায়ের পেট থেকে নবজাতক বের করতে গিয়ে শিশুটির কপালের একটি অংশ কেটে ফেলে নার্স ও আয়ারা।
শনিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন আল-মদিনা হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
পৃথিবীর আলো না দেখতেই দুর্ঘটনার শিকার যে নবজাতক
রোগীর লোকজন প্রশাসনে অভিযোগ জানালে বেলা ১১টার দিকে পুলিশ গিয়ে চায়না বেগম নামের ওই নার্স ও হাসপাতালের পরিচালক পলাশকে ধরে নিয়ে যায়। জানা গেছে ওটি সিস্টার পরিচয় ধারী ওই নার্স দীর্ঘদিন ধরে এভাবে চিকিৎসক ছাড়াই নবজাতক প্রসব করে আসছিল।
রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার মইজুদ্দিন মাতব্বর পাড়ার বাসিন্দা শাকিল খান জানান, তার চাচি রুপা বেগমকে সকাল সাড়ে আটটার দিকে চায়না বেগম ও দুইজন আয়া প্রসব করাতে গেলে শিশুটির কপালের একটি অংশ কেটে রক্তাক্ত করে ফেলে। তিনি সংশ্লিষ্ট আয়া ও নার্সদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
আহত নবজাতকের ফুপু হোসনেয়ারা বেগম বলেন, আমরা বার বার বলার পরেও হাসপাতালে আয়া ও নার্স শিশুটিকে প্রসব করাতে গিয়ে এই অঘটন ঘটায়। আমরা শিশুটির যাবতীয় চিকিৎসার ব্যয় যাতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বহন করে সেই দাবি জানাই।
ফরিদপুর সদর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মো. মাসুদুল আলম বলেন, এ জাতীয় ঘটনা কাম্য নয়। আমরা ইতোমধ্যে হাসপাতাল থেকে দু’জনকে আটক করেছি। এ ব্যাপারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্য বিভাগকে আমরা বলেছি।
বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতাল মালিক সমিতির সভাপতি ডা. আব্দুল জলিল বলেন, তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। কেন চিকিৎসক ছাড়া প্রসূতির ডেলিভারি করা হলো। সেটি জানার চেষ্টা চলছে। এই অন্যায় কাজের সঙ্গে যুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিব। ফরিদপুর সদর উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফাতেমা করিম বলেন, বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এ ধরনের উদাসীনতা মেনে নেওয়া হবে না। আমরা প্রসূতি মায়ের অপারেশন ও এই জাতীয় কাজে নিয়োজিত কর্মীদের ডাটাবেজ তৈরি করছি। এ ব্যাপারে মনিটরিং জোরদার করা হবে। ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, দুপুর দুইটার পর থেকে হাসপাতালের সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এই পোর্টালের কোনো খেলা বা ছবি ব্যাবহার দন্ডনীয় অপরাধ।
কারিগরি সহযোগিতায়: ইন্টাঃ আইটি বাজার
iitbazar.com