• রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শান্তি চুক্তির ৬৫টি ধারা সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে- জাতিসংঘে বাংলাদেশ শান্তিচুক্তির অগ্রগতি জাতিসংঘে তুলে ধরল বাংলাদেশ পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত- লোকমান সভাপতি, মাসুম রানা সম্পাদক কেএনএফ’র সন্ত্রাসী তৎপরতার প্রতিবাদ জানিয়েছে ১১টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী রুমায় তুমুল গোলাগুলি আতঙ্ক, হতাহতের শঙ্কা বর্ণাঢ্য আয়োজনে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে বৈসাবি ফুটবল টুর্নামেন্টে অংম্রাং ক্লাব চ্যাম্পিয়ন বান্দরবানে জলবায়ু ধর্মঘট করেছে ইয়ুথনেট বান্দরবানে যৌথ অভিযানে গণগ্রেফতার ও হয়রানির প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে পিসিপির বিক্ষোভ মিছিল মানিকছড়িতে সাংগ্রাই উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী বলি খেলা অনুষ্ঠিত

তিন বছরে রোহিঙ্গা শিবিরে ৭৬ হাজার শিশুর জন্ম

কক্সবাজার প্রতিনিধি / ৬২৭ জন পড়েছেন
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২০

কক্সবাজার প্রতিনিধি: রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে গত তিন বছরে প্রায় ৭৬ হাজার শিশু জন্ম নিয়েছে। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে সাত লাখ রোহিঙ্গার বাংলাদেশে প্রবেশের তিন বছর পর পৃথক প্রতিবেদনে একই তথ্য জানিয়েছে ইউএনএইচসিআর ও সেভ দ্য চিলড্রেন।
সংস্থা দুটি বলছে, ৩১ মে পর্যন্ত কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরগুলোতে তিন বছরের কম বয়সী শিশুর সংখ্যা ছিল ৭৫ হাজার ৯৭১টি। ধারণা করা হচ্ছে, বাংলাদেশে আসার পরই এসব শিশুর জন্ম হয়েছে।

সেভ দ্য চিলড্রেন জানায়, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে গত কয়েক বছরে আনুমানিক ১ লাখ ৮ হাজার ৩৭টি রোহিঙ্গা শিশু জন্ম নিয়েছে। তবে আর্থিক অনটনে অধিকাংশ শিশুরই পুষ্টি চাহিদা পূরণ করতে পারছে না পরিবার।

সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, তিন বছর আগে রাখাইন থেকে কক্সবাজারে আসার সময় অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন হামিদা। ওই সময় জন্ম হয় তার মেয়ে রুনার। হামিদা বলেন, আমার মেয়ে অপুষ্টিতে ভুগছে। আমি তার পুষ্টি চাহিদা পূরণ করতে পারছি না। তার শিক্ষা, ভবিষ্যৎ ও আচরণ নিয়েই উদ্বিগ্ন।

সেভ দ্য চিলড্রেনের বাংলাদেশ শাখার পরিচালক অনো ভান মানেন বলেন, কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে গত তিন বছরে প্রায় ৭৬ হাজার শিশুর জন্ম হয়েছে। তারা এমন এক জীবন নিয়ে জন্মেছে, যেখানে তাদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা সীমিত।

তিনি আরো বলেন, আমরা আমাদের শিশুদের বড় স্বপ্ন দেখতে শেখাই। কিন্তু যেসব শিশুরা কখনো শরণার্থী শিবির ছাড়া কিছু দেখেনি তাদের আশা ও স্বপ্ন ধরা ছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাবে মনে হয়। বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ পালিয়ে আসা শরণার্থীদের গ্রহণ করে নিয়েছে। রোহিঙ্গা শিশু ও তাদের পরিবারকে অবশ্যই নিজ ঘরে স্বেচ্ছায় ও মর্যাদাপূর্ণভাবে ফেরত যাওয়ার ব্যবস্থা করে দিতে হবে মিয়ানমারকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ