• বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ০৮:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কাপ্তাইয়ে বুদ্ধ পূর্ণিমায় বিভিন্ন বিহারে  দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা রাঙামাটিতে ইউপি চেয়ারম্যান গুলিবিদ্ধ লংগদুতে দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংর্বধনা প্রদান ৬ষ্ঠ দীঘিনালা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী যারা লামায় শ্রমিকবাহী পিকআপ উল্টে নিহত ১, আহত ৭ পানছড়িতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন যারা রাজস্থলী উপজেলা নির্বাচনঃ চেয়ারম্যান পদে বিপুল ভোটে জয়ী উবাচ মারমা লামা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী হলেন যারা কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নাছির উদ্দীন, ভাইস চেয়ারম্যান সুইপ্রু মারমা   চোখের জলে অবসরে গেলেন শিক্ষক রবি মোহন চাকমা মাটিরাঙ্গায় বিষপানে মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে ৮ ফুট লম্বা অজগর সাপ অবমুক্ত 

অবশেষে রিমান্ডে ওসি প্রদীপসহ ৩ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ৬১৭ জন পড়েছেন
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক
মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় অবশেষে রিমান্ডে নেয়া হলো কক্সবাজারের টেকনাফ থানার বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও থানার এসআই নন্দদুলাল রক্ষিতকে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বেলা সোয়া ১১টার দিকে র‌্যাব তাদের জেলা কারাগার থেকে নিয়ে গেছে।

কক্সবাজার জেলা কারাগারের জেল সুপার মোকাম্মেল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে সোমবার (১৭ আগস্ট) আদালতের নির্দেশের ১২ দিন পর ওসি প্রদীপ, পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত ও এসআই নন্দদুলালকে রিমান্ডে নেয়ার ঘোষণা দেন র‌্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক আশিক বিল্লাহ।

তিনি জানান, সিনহা হত্যাকাণ্ডের দিন পুলিশের জব্দ করা ২৯টি ইলেকট্রনিক ডিভাইস হেফাজতে নিতে আদালতে আবেদন করেছেন তারা।

গত ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শ্যামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। ঘটনা তদন্তে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কমিটি তদন্ত শুরুর পরপরই কক্সবাজারে যান আইজিপি ও সেনাপ্রধান।

৫ আগস্ট টেকনাফ থানার বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাস, বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ ৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহত সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। পরদিন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন ওসি প্রদীপসহ সাত আসামি।

ওই দিনই দুই দফায় শুনানি শেষে তিন পুলিশ কর্মকর্তার সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। এর কয়েকদিন পর বাকি চার পুলিশ সদস্যের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। গত ১৪ আগস্ট এএসআই লিটনসহ চার পুলিশ সদস্যকে কারাগার থেকে হেফাজতে নেয় র‌্যাব। তবে বারবার পেছাতে থাকে পুলিশ কর্মকর্তা প্রদীপ, লিয়াকত ও নন্দদুলালকে রিমান্ডে নেয়ার প্রক্রিয়া।

অবশেষে সোমবার কক্সবাজারে এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ জানান, মঙ্গলবার এই তিন কর্মকর্তাকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয়া হবে। সিনহা হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশের জব্দ করা ল্যাপটপ, হার্ডডিস্কসহ ২৯টি ডিভাইস নিজেদের হেফাজতে নিতে আদালতে আবেদন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ