মহামারি আকার ধারণ করা করোনাভাইরাসের কারণে শিক্ষাব্যবস্থাসহ সবকিছু স্থবির হয়ে পড়লেও সদ্যসমাপ্ত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল যথাসময়েই প্রকাশিত হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র ঢাকা টাইমসকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, ‘ফলাফল দিতে দেরি হবে না । কারণ উত্তরপত্র তো পরীক্ষকরা বাড়িতে বসে দেখবেন। এখন শুধু ওএমআর পাঠাবে। এরইমধ্যে ৭০ ভাগ ওএমআর চলেও এসেছে। বাকিটাও চলে আসবে। তারপর আমরা স্ক্যানিং শুরু করব।’

গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ফলাফলে বিলম্ব হওয়ার সুযোগ আছে কি না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘১১ এপ্রিলের পরে গণপরিবহন চলাচল স্বাভাবিক কিংবা সীমিত আকারে চলাচল শুরু হবে। তাই এই কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারব।’

ফলাফল প্রকাশে দেরি হলে একাদশের ভর্তি পিছিয়ে যাবার আশঙ্কা রয়েছে। তবে সেটিও যথাসময়েই সম্পন্ন হবে বলে মনে করেন তিনি।

ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান বলেন, ‘একাদশের ভর্তি জুন মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত। সুতরাং জুন মাসের মধ্যেই একাদশের ভর্তি সম্পন্ন করতে পারব।’

গত ৩ ফেব্রুয়ারি এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এসএসসি ও কারিগরির তত্ত্বীয় এবং ১ মার্চ পর্যন্ত দাখিলের তত্ত্বীয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। আর ২৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চের ব্যবহারির পরীক্ষা শেষ হয়।

এ বছর ২৮ হাজার ৮৮৪টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেয়। নয়টি সাধারণ বোর্ডের অধীনে এসএসসিতে ১৬ লাখ ৩৫ হাজার ২৪০ জন পরীক্ষার্থী ছিল। এর মধ্যে সাত লাখ ৯১ হাজার ৯১৮ জন ছাত্র এবং আট লাখ ৪৩ হাজার ৩২২ জন ছাত্রী। দাখিলে এবার দুই লাখ ৮১ হাজার ২৫৪ জন এবং এসএসসি ভোকেশনালে এক লাখ ৩১ হাজার ২৮৫ জন পরীক্ষা দেয়। বিদেশের আটটি কেন্দ্রে ৩৪২ জন শিক্ষার্থী এসএসসিতে অংশ নেয়।

এদিকে করোনাভাইরাসের কারণে বন্ধ রয়েছে দেশের সবধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। স্থগিত রয়েছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাও। সরকর সাধারণ ছুটি আরও পাঁচ দিন বাড়িয়ে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত করেছে।