Header Border

ঢাকা, শনিবার, ৩০শে মে, ২০২০ ইং | ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (গ্রীষ্মকাল) ২৫°সে
শিরোনাম :
রবিবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করোনা প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে বাসায় যেসব স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে মাদারীপুরে আইসোলেশনে থাকা এক রোগীর মৃত্যু ও নার্স সহ ১১জনের শরীরে করোনা শনাক্ত মাটিরাঙ্গা ইউনিয়নে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে হামের টিকা কার্যক্রম স্থগিত দিনাজপুরের আত্রাই নদী থেকে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু দেহ উদ্ধার  মহালছড়িতে সনাতন বিদ্যার্থী সংসদের ২৫ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ৩১ মে থেকে গণপরিবহন চালুর সিদ্ধান্ত: ওবায়দুল কাদের লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা করোনায় যে ৪ জিনিসে বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নয়নের দৃষ্টি পড়েনি এখনও চন্দ্রঘোনা ফেরী পারাপার

১৩ হাজার ফোন পেয়েও নিষ্ক্রিয় ছিল দিল্লি পুলিশ

চার দিনব্যাপী সংঘর্ষ চলাকালীন দিল্লি পুলিশের কাছে ১৩ হাজার ২০০টি ফোন গিয়েছিল। কোথাও গুলি চলছে, কোথাও গাড়ি পুলিয়ে দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ আসছিল। তা সত্ত্বেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। ভারতের রাজধানীর পরিস্থিতি নিয়ে এক দিকে দিল্লি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে যখন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, ঠিক তখনই এমন অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে এনডিটিভি।

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) এর বিরোধী ও সমর্থকদের সংঘর্ষে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দফায় দফায় তেতে উঠেছে দিল্লি। সংখ্যালঘু মুসলিমদের ওপর ব্যাপক সহিংসতা চালায় কট্টর হিন্দুত্ববাদীরা। এতে এখন পর্যন্ত ৪২ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কয়েকশ লোক।

পুলিশ ও প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার জন্যই হিংসা এমন চরম আকার ধারণ করে বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগ, ফোনে বারবার অভিযোগ করা সত্ত্বেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ।

সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখতেই পুলিশ কন্ট্রোল রুমের কল লগ খতিয়ে দেখে এনডিটিভি। তাতে দেখা গেছে, ২৩ তারিখ (রবিবার) বিক্ষোভের প্রথম দিন সন্ধ্যাতেই ৭০০ ফোন গিয়েছিল পুলিশের কাছে। ২৪ তারিখে একধাক্কায় তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩ হাজার ৫০০। ২৫ ফেব্রুয়ারি ৭ হাজার ৫০০ ফোন পায় পুলিশ। ওই দিন রাত থেকেই এলাকা পরিদর্শনে বার হন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। তার পরদিন অর্থাৎ ২৬ ফেব্রুয়ারি ১ হাজার ৫০০টি ফোন পায় পুলিশ।

এনডিভি জানিয়েছে, শুধুমাত্র যমুনা বিহার থেকেই ভজনপুরা থানায় ২৪-২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার ফোন এসেছিল। ভজনপুরা থানার আট পাতার কল রেজিস্টার খতিয়ে দেখা গেছে, কোন নম্বর থেকে ফোন আসছে, কী অভিযোগ এবং তার প্রেক্ষিতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তার জন্য রেজিস্টারের পাতায় আলাদা আলাদা কলাম থাকলেও, শুধুমাত্র কোথা থেকে ফোন এসেছিল, কী অভিযোগ তাই লেখা রয়েছে। এমনকি গুলি চলা এবং আগুন লাগানোর অভিযোগও লেখা রয়েছে তাতে। কিন্তু অভিযোগের প্রেক্ষিতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তার উল্লেখ নেই সেভাবে। অর্থাৎ অভিযোগ পেয়েও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কোনো ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ।

শুধু সাধারণ মানুষই নন, তার অভিযোগের প্রেক্ষিতেও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ করেছেন যমুনা বিহারের বিজেপি কাউন্সিলর প্রমোদ গুপ্ত। পুলিশ তার ফোনই ধরেনি বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। সংবাদমাধ্যমে প্রমোদ গুপ্ত বলেন, ‘পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেনি। পুলিশ যদি ব্যবস্থা নিত, পরিস্থিতি এতটা খারাপ দিকে মোড় নিত না’।

একই অভিযোগ শিববিহারের ‘রাজধানী পাবলিক স্কুল’ এর মালিক ফয়জল ফারুখ। তিনি জানান, সোমবার স্কুলে হামলা চালায় তাণ্ডবকারীরা। সমস্ত শিক্ষার্থী এবং শিক্ষক-শিক্ষিকারা বেরিয়ে গেলে বারবার পুলিশকে ফোন করেন তিনি। ফোনে তাদের আশ্বাস দিলেও, স্কুল চত্বরে পুলিশ আসেনি।

শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা
উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাশালী শাসক কিম মারা গেছেন, দাবী এইচকেএস টিভি হংকং
শবে বরাতের শুভেচ্ছা জানিয়ে এরদোগানের টুইট
১০ হাজার বন্দিকে ক্ষমা করে দিলেন খামেনি
এপ্রিলেই করোনার ‘ভ্যাক্সিন’: চীন
ইউরোপে শরণার্থীদের সীমান্ত খুলে রাখার প্রতিশ্রুতি এরদোগানের

আরও খবর

সম্পাদক  প্রকাশক : এম শাহীন আলম।