• সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
দিনেদুপুরে কৃষকের বাড়িতে হামলা লুটপাট রাঙামাটি সদর জোনের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ প্রদান আলীকদম সেনা জোন কর্তৃক মানবিক সহায়তা প্রদান পানছড়ি মাদ্রাসায় অব্যবস্থাপনা ও অবৈধ নিয়োগ বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন খাগড়াছড়িতে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষ্যে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কাপ্তাইয়ে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা প্রাথমিক বিদ্যালয়  ফুটবল টুর্ণামেন্ট শুরু  কাপ্তাই বন বিভাগের পক্ষ হতে শিক্ষার্থীদের গাছের চারা বিতরণ  কাপ্তাই রাহাত স্টোরে ৩৫ প্রকার চা এবং হরেক রকম পান পাওয়া যায়  খাগড়াছড়ি গুইমারা থানা পুলিশের অভিযানে গাজাসহ আটক-২ রাজস্থলীতে উৎসব মুখর পরিবেশে বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল সম্পন্ন কাপ্তাইয়ের  শিলছড়িতে সামাজিক শৃঙ্খলা কমিটি গঠন  বীর মুক্তিযোদ্ধার পরলোকগমন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সতকার

সার সঙ্কটে নানিয়ারচরে আনারস চাষিরা বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবি

মাহাদী বিন সুলতান, নানিয়ারচর প্রতিনিধি: / ৩৩৭ জন পড়েছেন
প্রকাশিত : শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১

আনারসের রাজধানী ক্ষ্যাত রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলায় চাহিদার তুলনায় চাষিরা পাচ্ছেনা সার। উপজেলা ও জেলার বাইরের বিভিন্ন বাজার থেকে চড়া দামে সার কিনতেও ভোগান্তিতে পড়ছে প্রান্তিক চাষিরা।

শনিবার সকালে উপজেলার বুড়িঘাট ও ঘিলাছড়ি এলাকায় সরেজমিন ঘুরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বছরে কয়েক মেট্রিকটন সারের চাহিদার তুলনায় স্থানীয় বাজারে চাষিরা সার পাচ্ছে খুবই কম।

এবিষয়ে নানিয়ারচর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা টিপু সুলতান জানান, বর্ষা পরবর্তি মৌসুমে চাষিরা আনারস বাগানে সার প্রয়োগ করে থাকে। তাই একটা বাড়তি চাহিদা সৃষ্টি হয়। আমরা জেলা পর্যায়ে যোগাযোগ করছি। সারের বরাদ্দ বাড়িয়ে চাষিদের সারের সঙ্কট মেটাতে চেষ্টা করছি।

স্থানীয় চাষি মোঃ জিয়াউল হক জানান, নানিয়ারচর, বুড়িঘাট, ঘিলাছড়ি ও বেতছড়ি বাজারে সারের পর্যাপ্ততা না থাকায় মহালছড়ি, রানীরহাট ও চট্টগ্রামসহ বাইরের বিভিন্ন বাজার থেকে চড়া দামে চাষিরা ক্রয় করছে সার।

স্থানীয় আনারস চাষি নুর মোহাম্মদ জানান, এলাকার চাষিদের যে পরিমান সার প্রয়োজন ডিলারের মাধ্যমে আমরা তা পাচ্ছিনা। এতে করে সময়মত সার দিতে না পারায় চাষিরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে সরকারী নির্ধারিত মূল্যে সার পেলে আমরা উপকৃত হবো।

ইসলামপুর এলাকার চাষি মোঃ বাবুল বলেন, স্থানীয় ডিলারের কাছে আমরা পর্যাপ্ত সার পাইনা। মাঝে মধ্যে যতটুকু পাওয়া যায় তার দাম অনেক বেশি। ৭০০টাকার সার ৯০০টাকা থেকে ১হাজার টাকায় কিনতে হয়।

৩নং বুড়িঘাট ও নানিয়ারচর সদর ইউনিয়ন (অতিরিক্ত দায়ীত্ব) বিসিআইসি পরিবেশক মেসার্স স্বপন এন্টারপ্রাইজ এর সত্ত্বাধিকারী স্বপন দেবনাথ জানান, চলতি বছর (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত দুই ইউনিয়নের জন্য মোট ২০৭ মেট্রিকটন সার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বর্ষা পরবর্তি মৌসুমে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সারের সঙ্কট তৈরী হয়েছে।

বছরের মে মাস থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্থানীয় চাষিদের প্রতি মাসে ১০০মেট্রিকটন সারের বাড়তি চাহিদা রয়েছে বলেও স্বপন দেবনাথ।

বাড়তি দামে সার বিক্রি স্থানীয়দের এমন অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্থানীয়দের চাহিদা অনুযায়ী সার দিতে না পেরে আমি কৃষি বিভাগের অবগতি সাপেক্ষে কাউখালী, রাঙামাটি ও চট্টগ্রামের অন্য ডিলার থেকে এনে সার বিক্রি করি। সেক্ষেত্রে খরচ অনুযায়ী (ভাড়া) বাড়তি দাম নিতে হয়।

তিনি আরো জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানাবো আমাকে নির্ধারিত বরাদ্দ বাড়িয়ে দিলে স্থানীয় চাহিদা পুরনে সক্ষম হবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ