• শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ১২:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচন: তাপদাহ উপেক্ষা করে প্রার্থীরা ছুটছেন ভোটার দোয়ারে দোয়ারে  খাগড়াছড়িতে সার্বজনীন পেনশন স্কীম নিবন্ধনে শীর্ষে মাটিরাঙা খাগড়াছড়িতে নাশকতা: বিএনপির তিন নেতা গ্রেপ্তার দীঘিনালায় আনারস প্রতিকের সমর্থনে উঠান বৈঠক গুইমারায় রাতেও চলছে সর্বজনীন পেনশন স্কিম সম্পর্কে অবহিতকরণ সভা কাপ্তাই হ্রদ ভরাট : তদন্ত করে দোষীদের খুঁজতে বলল আদালত মোংলায় ব্র্যাকের উদ্যোগে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সমন্বয় সভা রামগড় তথ্য অফিসের আয়োজনে মহিলা সমাবেশ মানিকছড়ি তিনটহরী উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ গোয়ালন্দে বিআইডব্লিউটিসি’র ওজন স্কেলের সড়ক তৈরীতে অনিয়ম কাপ্তাই কর্ণফুলি নদীতে মৎস্য বিভাগের  অভিযানে ৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল এবং ২০ টি রিং জাল জব্দ লামায় জমি নিয়ে বিরোধে জের ধরে ১ জনকে কুপিয়ে খুন, আহত ৭

কথা দিয়ে কথা রাখলেন খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মুক্তাধর পিপিএম (বার)

মোঃ সালাউদ্দিন, বিশেষ প্রতিনিধ: / ১৪৮ জন পড়েছেন
প্রকাশিত : সোমবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৪

 

মোঃ সালাউদ্দিন:-খাগড়াছড়ি পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক), এর উদ্দগ্যে গত ১৭ (জানুয়ারি) খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার মুক্তাধর পিপিএম (বার) এর সভাপতিত্বে খাগড়াছড়ি জেলার শাপলা চত্বরে অবস্থিত মুক্ত মঞ্চে দিনব্যপি ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। পুনাকের এই সেবামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় চার শতাধিক অসহায় মানুষ বিভিন্ন রোগের অভিজ্ঞ ডাক্তারদের নিকট থেকে ফ্রি চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেছিলেন। সেখানে চিকিৎসা সেবা নিতে এসেছিলেন রহিমা বেগম (৫১), স্বামী-মৃত আব্দুল মফিজ, সাং- গঞ্জপাড়া, উত্তরচর, খাগড়াছড়ি সদর, খাগড়াছড়ি। তিনি মূলত একজন শ্রবণ শক্তিহীন বধির হতদরিদ্র মহিলা।পেশায় তিনি একজন ভিক্ষুক। তিনি কারও কথা কানে শুনতে পান না। বিষয়টি নজরে আসে খাগড়াছড়ি জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মুক্তাধর পিপিএম (বার)এর।

পুলিশ সুপার সেদিন রহিমা বেগম (৫১) কে কথা দিয়েছিলেন তাকে একটি “হিয়ারিং এইড” শ্রবণশক্তি বৃদ্ধি সহায়ক যন্ত্র কিনে দিবেন। ২৯ (জানুয়ারি) সেই কথার বাস্তবায়ন করলেন পুলিশ সুপার মুক্তাধর পিপিএম (বার)।

খাগড়াছড়ি জেলার শাপলা চত্তরে অবস্থিত মানবতার দেয়াল খ্যাত মুক্ত মঞ্চে রহিমা বেগম (৫১) কে নিজ হাতে তার কানে পরিয়ে দিলেন শ্রবণশক্তি বৃদ্ধি সহায়ক যন্ত্র “হিয়ারিং এইড”। পুলিশ সুপার এর নিকট থেকে রহিমা বেগম (৫১) “হিয়ারিং এইড” যন্ত্রটি পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন।

এসময় তিনি পুলিশ সুপার মুক্তাধর পিপিএম (বার)কে জড়িয়ে ধরে কান্না করেন। তিনি বলেন যে, “সমাজে অনেক বিত্তশালী মানুষ আছেন কিন্তু কেউ তাকে এভাবে সাহায্য করেন নাই। কিন্তু আমার এই দুর্দশা দেখে পুলিশ আমার পাশে দাড়িয়েছেন”। তিনি পুলিশ সুপার মুক্তাধর পিপিএম (বার) সহ বাংলাদেশ পুলিশের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং পুলিশ সুপার মুক্তাধর পিপিএম (বার)এর দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

এসময় তিনি দুহাত তুলে দোয়া করেন যে, “স্যারের মত প্রতিটি জেলায় এরকমের অফিসার জন্ম নেন”।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ