বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১২:২২ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ

হ্যাঁ, এলাকা আমার, খবর আমার, পত্রিকা আমার। সাফল্যের ২ বছর শেষে ৩ তম বছরে দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ। নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সবচেয়ে বেশি স্থানীয় সংস্করন নিয়ে "দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ" বিশ্লেষন আমাদের, সিদ্ধান্ত আপনার। দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ পত্রিকায় শুন্য পদে সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে। আপনার এলাকায় শুন্য পদ রয়েছে কিনা জানতে কল করুনঃ 01647627526 অথবা ইনবক্স করুন আমাদের পেইজে। ভিজিট করুনঃ parbattakantho.com দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ। সত্য প্রকাশে সাহসী যোদ্ধা আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়বো

প্রকৃতি যেন তার সবটুকু দিয়েই ঢেলে সাজিয়েছেন মহালছড়ি ধুম্নিঘাট ঝর্ণাকে

মাইন উদ্দিন বাবলু গুইমারা,খাগড়াছড়ি:
  • প্রকাশিত : রবিবার, ৩ জুলাই, ২০২২
  • ১০৪ জন পড়েছেন

পার্বত্য চট্টগ্রাম খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ি উপজেলায় ধুস্নিঘাট ঝর্ণাটির খোঁজ মিলেছে গত কিছু দিন আগে প্রায় শতফুট উঁচু এ ঝর্ণার।

প্রতিবার বর্ষা মৌসুমে এভাবেই পর্যটকে সরগরম হয়ে উঠে ধুম্নিঘাট ঝর্ণায় । মহালছড়ি ধুম্নিঘাট বুনো ঝর্ণা।প্রকৃতিতে চলছে বর্ষাকাল। অবিরাম বৃষ্টিতে পাহাড়ের বৃক্ষরাজি লাভ করে নব যৌবন। পাহাড়ের বুক চিরে রুপবতী ঝরনা দেখতে চাইলে বর্ষাকালের যেন বিকল্প নেই। বর্ষা মৌসুমে ঝর্ণা বা জলপ্রপাতগুলো সুপ্ত থাকার পর যেন ঘুম ভেঙে জেগে উঠে।
পর্যটক এ সময়টাতেই এসব জায়গায় ভ্রমণ করতে পছন্দ করেন, কারণ ঝর্ণা বা জলপ্রপাতগুলোর আসল সৌন্দর্য দেখা যায় এ বর্ষা মৌসুমে । এমন বর্ষায় প্রকৃতি যেন তার সবটুকু রূপ ঢেলে দিয়েছে ধুম্নিঘাট বুনো পাহাড়ি ঝর্ণাটিতে।

পাথরের পর পাথর পেরিয়ে স্বচ্ছ জলের ধারা পড়ছে গড়িয়ে। সবুজের অরণ্য মাড়িয়ে ঝরনাধারার স্রোতধারা কল কল শব্দে নেমে যায় সমতলে। নাম না জানা লতাপাতা-গুল্ম, বাঁশবন, বুনোফুল ও ফলের গাছ আর নিভৃত ঝিরিপথের অপার সৌন্দর্য যে কাউকেই মুগ্ধ করবে। প্রকৃতির অপূর্ব সৃষ্টি মহালছড়ি ধুম্নিঘাট এই পাহাড়ি ঝর্ণাধারা আর জল প্রভাতটি।

যে কেউ আসতে চাইলে ঢাকা থেকে বারাইহাট হয়ে গুইমারা উপজেলার জালিয়াপাড়া নামবেন এবং চট্টগ্রাম বায়েজীদ থেকে জালিয়াপাড়া গোল চত্বরে নামবেন। গোল চত্বরে সাইনবোর্ড দেখতে পাবেন মহালছড়ি সড়ক । সিন্দুকছড়ি মহালছড়ি সড়ক হয়ে ধুম্নিঘাট আর্মি ক্যাম্প। আর্মি ক্যাম্প এর পাশের গ্রামের রাস্তা ধরে এগুতেই ঝর্ণা পড়বে। বাস থেকে নামতে হবে জালিয়াপাড়া বাজার অথবা সিন্দুকছড়ি বাজারে। রিজার্ভ কিংবা নিজ স্ব-বাহনে গেল ধুম্নিঘাট ঝর্ণার পর্যন্ত যাওয়া যাবে। ঢাকা থেকে খাগছড়ির রাতের বাসে অথবা মাইক্রোতে গিয়ে দিনে দিনে ঘুরে আসা যাবে। জালিয়াপাড়া বাজার থেকে ঝর্ণায় সিএনজি বা মোটরসাইকেল যায়।

সতর্কতা: বর্ষায় ঝরনা বা ট্রেইলে ভ্রমণকালীন সময়ে যেকোনো মুহূর্তেই ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। অনেকেই ঝরনা বা ঝিরিতে গিয়ে অতি আনন্দে খেই হারিয়ে ফেলেন। বিপদজনক ভাবে ছবি বা সেলফি তুলতে ব্যস্ত হয়ে যান। অথচ পাহাড়ের খাল, ঝরনা বা ঝিরির পাথরগুলোতে প্রচুর শ্যাওলা জমে পিচ্ছিল হয়ে থাকে। একটু খানি পা পিছলে গেলেই ঘটতে পারে বিপদ। পানির প্রচন্ড স্রোত থাকে, বিশেষ করে ভরা বর্ষায়। সে সঙ্গে পানির স্রোতের প্রচন্ড শব্দও থাকে। এরকম পরিস্থিতিতে বিপদে পড়ে সাহায্যের জন্য চিৎকার করলেও অন্য কারো কাছে সে শব্দ পৌঁছায় না। বিশাল, খরস্রোতা ও ভয়ংকর ঝরনা বা জলপপ্রাতের মধ্যে বিপদগ্রস্ত কাউকে সাহায্য করাও এতো সহজ নয়। যেকোনো ঝরনা ও ঝিরিই একটুর জন্য বিপদজনক হয়ে উঠতে পারে। তাই সব সময় সাবধান থাকা উচিত।

এম/এস

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এই পোর্টালের কোনো খেলা বা ছবি ব্যাবহার দন্ডনীয় অপরাধ।
কারিগরি সহযোগিতায়: ইন্টাঃ আইটি বাজার
iitbazar.com