শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ০৩:১৯ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ

হ্যাঁ, এলাকা আমার, খবর আমার, পত্রিকা আমার। সাফল্যের ২ বছর শেষে ৩ তম বছরে দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ। নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সবচেয়ে বেশি স্থানীয় সংস্করন নিয়ে "দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ" বিশ্লেষন আমাদের, সিদ্ধান্ত আপনার। দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ পত্রিকায় শুন্য পদে সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে। আপনার এলাকায় শুন্য পদ রয়েছে কিনা জানতে কল করুনঃ 01647627526 অথবা ইনবক্স করুন আমাদের পেইজে। ভিজিট করুনঃ parbattakantho.com দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ। সত্য প্রকাশে সাহসী যোদ্ধা আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়বো

বান্দরবান স্টেডিয়ামে দর্শককে মুগ্ধ করল কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের শিক্ষার্থীরা

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, নিজস্ব সংবাদদাতা, লামা
  • প্রকাশিত : শনিবার, ১১ জুন, ২০২২
  • ১৫৩ জন পড়েছেন

বান্দরবান জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২২’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে হাজারো দর্শকের সামনে মনোমুগ্ধকর ডিসপ্লে ও ব্যান্ডবাদনা প্রদর্শন করে কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের শিক্ষার্থীরা। ১০ জুন বিকেলে বান্দরবানের জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজির সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং, এমপি।

বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় এ জেলার ক্রীড়াঙ্গনকে সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে বান্দরবান পার্বত্য জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে গত ২০ মে থেকে বান্দরবান জেলা স্টেডিয়ামে এই টুর্নামেন্ট শুরু হয়, যার সমাপনী খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ১০ জুন অনুষ্ঠিত হলো। ফুটবল টুর্নামেন্টের এই বর্ণাঢ্য আয়োজনেকে স্মরণীয় করে রাখতে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের একটি সমবেত ডিসপ্লে প্রদর্শনের অনুরোধ জানান এই টুর্নামেন্টের আহ্বায়ক ও বান্দরবানের অতিরিক্ত জেলাপ্রশাসক সুরাইয়া আক্তার সুইটি।

নোঙ্গর তোলো তোলো সময় যে হলো হলো’ সংগীতের সাথে ডিসপ্লে প্রদর্শন করে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের প্রাথমিক বিভাগের ১৬৪ জন ক্ষুদে শিক্ষার্থী এবং হাই স্কুলের ৬৩ জন ব্যান্ডবাদনা প্রদর্শন করে। মাননীয় মন্ত্রী ও আগত দর্শকেরা কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের এই প্রদর্শনী উপভোগ করেন ও প্রশংসা ব্যক্ত করেন।

২০০১ সালে মাত্র সাত জন ম্রো জাতিগোষ্ঠীর শিশু নিয়ে যাত্রা শুরু করে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজ। ২০ বছরের পরিক্রমায় জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে এখন এখানে আড়াই হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের বঞ্চিত শিশু ও এতিমদের নিয়ে এই স্কুলের রয়েছে শিক্ষা ও ক্রীড়ায় দেশসেরা সাফল্য। ঢাকায় জাতীয় শিশু-কিশোর কুচকাওয়াজে তারা প্রথম হয়েছে ২০১৫ থেকে টানা পাঁচ বছর। বুয়েট, মেডিকেল ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছে তারা।
এম/এস

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এই পোর্টালের কোনো খেলা বা ছবি ব্যাবহার দন্ডনীয় অপরাধ।
কারিগরি সহযোগিতায়: ইন্টাঃ আইটি বাজার
iitbazar.com