বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ

হ্যাঁ, এলাকা আমার, খবর আমার, পত্রিকা আমার। সাফল্যের ২ বছর শেষে ৩ তম বছরে দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ। নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সবচেয়ে বেশি স্থানীয় সংস্করন নিয়ে "দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ" বিশ্লেষন আমাদের, সিদ্ধান্ত আপনার। দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ পত্রিকায় শুন্য পদে সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে। আপনার এলাকায় শুন্য পদ রয়েছে কিনা জানতে কল করুনঃ 01647627526 অথবা ইনবক্স করুন আমাদের পেইজে। ভিজিট করুনঃ parbattakantho.com দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ। সত্য প্রকাশে সাহসী যোদ্ধা আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়বো

কৃষক লীগ নেতা মানিক সরদার হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

মাদারীপুর প্রতিনিধি:
  • প্রকাশিত : রবিবার, ২০ মার্চ, ২০২২
  • ৭৯ জন পড়েছেন

কৃষকলীগ নেতা মানিক সরদারকে হত্যাকারীদের ফাসির দাবিতে রোববার (২০ মার্চ) মাদারীপুরে এক মানববন্ধন করেছে উপজেলা কৃষকলীগ ও আলীনগর ইউনিয়নবাসী। গত ৭ই ফেব্রুয়ারী কালকিনি উপজেলার ফাঁসিয়াতলা বাজারের কাছে মানিক সরদার (৫০) নামের এক কৃষকলীগ নেতাকে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত মানিক সরদার একই এলাকার আলমগীর সরদারের ছেলে। কালকিনি উপজেলা কৃষকলীগের কৃষক বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন তিনি। মানববন্ধনে দীর্ঘদিন ধরে আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুড়ে বেড়ালেও থানা পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করে না বলেও অভিযোগ তুলেন নিহত মানিক সরদারের স্ত্রী খানম। আসামিরা সবাই নাকি হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়ে এসেছে। এত বড় একটা হত্যা হলো, অথচ দুজন আসামি ছাড়া কেউ আর গ্রেপ্তার হলো না বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তার স্ত্রী। মাদারীপুরের কালকিনিতে কৃষক লীগ নেতা মানিক সরদার হত্যা মামলায় আসামিদের গ্রেপ্তার ও দ্রুত বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ করেছে স্বজন ও এলাকাবাসী।
মাদারীপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে রোববার (২০ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে মানববন্ধন করেন তারা। এরপর মাদারীপুর-শরীয়তপুর শেখ হাসিনা সড়ক অবরোধ করেন তারা। গত ৭ ফেব্রুয়ারি কালকিনি উপজেলা কৃষক লীগের কৃষিবিষয়ক সম্পাদক মানিক সরদারকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে আলীনগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ওরফে মিলন সরদারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দুই দিন পরে হাফিজুরকে প্রধান আসামি করে ১৭ জনের নামে কালকিনি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন নিহতের স্ত্রী সীমা খানম। মামলার পর দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইশতিয়াক আসফাক রাসেল বলেন, ‘আসামিরা প্রায় সবাই হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়ে এসেছেন। জামিন ছাড়া যারা আছেন, সে রকম দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা বর্তমানে জেল-হাজতে আছেন। ‘এরপরও মামলার অগ্রগতি জেলার গোয়েন্দা পুলিশ তদারকি করছে। আমরাও থানা থেকে তাদের সহযোগিতা করছি। পুলিশের কোনো গাফিলতি নেই।
এম/এস

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এই পোর্টালের কোনো খেলা বা ছবি ব্যাবহার দন্ডনীয় অপরাধ।
কারিগরি সহযোগিতায়: ইন্টাঃ আইটি বাজার
iitbazar.com