বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:৪৩ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ

হ্যাঁ, এলাকা আমার, খবর আমার, পত্রিকা আমার। সাফল্যের ২ বছর শেষে ৩ তম বছরে দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ। নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সবচেয়ে বেশি স্থানীয় সংস্করন নিয়ে "দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ" বিশ্লেষন আমাদের, সিদ্ধান্ত আপনার। দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ পত্রিকায় শুন্য পদে সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে। আপনার এলাকায় শুন্য পদ রয়েছে কিনা জানতে কল করুনঃ 01647627526 অথবা ইনবক্স করুন আমাদের পেইজে। ভিজিট করুনঃ parbattakantho.com দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ। সত্য প্রকাশে সাহসী যোদ্ধা আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়বো

অবশেষে জামিন পেলেন মহেশখালী পৌরসভার সাবেক মেয়র সরওয়ার

হ্যাপী করিম (মহেশখালী) কক্সবাজার:
  • প্রকাশিত : শনিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ৮৪ জন পড়েছেন

মহেশখালী পৌরসভার সাবেক মেয়র সরওয়ার আজম বিএ’কে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র মূলক দুর্নীতির নামে সাজানো মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হওয়ার পর চট্টগ্রাম হতে গাড়ী বহরে করে মহেশখালীর প্রবেশ পথ বদরখালী ব্রীজে পৌছলে মহেশখালীর হাজার হাজার মানুষ মোটর গাড়ী শোভাযাত্রা সহকারে বরণ করে নেয়।২৫শে ফেব্রুয়ারী শুক্রবার বিকাল ৪ টায় অপেক্ষারত জনগণ শত শত ফুলের মালা পড়িয়ে তাদের প্রিয় নেতাকে বরণ করে নেয়।

পৌরসভার একজন সফল মেয়র হিসাবে কারা বরণ সংবাদটি যেমন সমগ্র পৌরসভার আপামর জনতার মনে ব্যতিত করে ছিল। মেয়র সরওয়ারের জামিনে মুক্তির সংবাদে সাধারন আমজনতার মাঝে আনন্দ,খুশির আমেঝ ফিরে আসে। মহেশখালী পৌরসভা সহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের শত শত নারী পুরুষ গোরকঘাটা জনতা বাজার সড়কের দু পাশে দাড়িয়ে কৃষক,শ্রমিক ও নানান শ্রেণী পেশার মানুষ মোটর সাইকেল জিপ,মাইক্রো,সিএনজি গাড়ির শোভাযাত্রার মাধ্যমে তাকে বরণ করে ঘরে নিয়ে আসে হাজার হাজার জনগণ।

জানা যায়, বিগত জানুয়ারি মাসে একটি দুর্নীতি মামলায় আদালত জেল হাজতে প্রেরণ করে। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি তিনি জামিনে মুক্তি লাভ করে। ২০০২ সালে মহেশখালী পৌরসভার নির্বাচনে সরওয়ার আজম বিএ বিপুল ভোটে জয়লাভ করলে তার বিপক্ষে নানা ষড়যন্ত্র শুরু করে প্রতিপক্ষ। সেই সূত্র ধরে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র মূলক মামলায় জড়িয়ে দেয় সরওয়ার আজমকে। যে সময় মামলা দায়ের করে সেই সরওয়ার আজম দায়িত্বে ছিলনা। তখন সময় দায়িত্বে ছিল(ভারপ্রাপ্ত) মেয়র পূর্ণ চন্দ্র দে।

সদ্য কারামুক্ত সাবেক মেয়র সরওয়ার আজম বিএ বলেন- স্বাধীনতা বিরোধী পরিবারের একটি পক্ষ নিজেদেরকে ক্ষমতায় ক্ষুকিগত করতে আমার বিরুদ্ধে ষঢযন্ত্র করে আসছে। বিপক্ষের শক্তি সব সময় আমার পিছনে লেগে আছে। বিগত ২০০২ সালে পৌর নির্বাচনে আমি বিপুল ভোটে জয়লাভ করলে তারা আমাকে মেয়রের চেয়ারে বেশি দিন বসতে দেয়নি। আমাকে বিভিন্ন মামলায় ফাঁসানোর কারণে জেল জুলুমের শিকার হতে হয়েছে। ষঢযন্ত্রকারীরা তাদের অবৈধ টাকা দিয়ে আমাকে নানাভাবে হয়রানি করে যাচ্ছে। হাজার হাজার জনতা তাদের সেই নীল নকশাকে বারবার ভেঙে দিচ্ছে, কিন্তু কালো টাকা দিয়ে ভোট ডাকাতি করে তারা ঠিকে আছে। ইনশাআল্লা কালো টাকার হাত অচিরেই গুড়িয়ে যাবে।মেয়র সরওয়ার বলেন সমাজের দরিদ্র,শ্রমজীবি মানুষ আমার যে কোন দূঃসময়ে রাজপথে ছিল,এখনো আছে ভবিষ্যৎ ও থাকবে। আজ যারা নিজেদের সময় ব্যয় করে আমাকে সম্মান জানাতর সমবেত হয়েছে আমি তাদের প্রতি আজীবন কৃতজ্ঞতায় আবদ্ধ হয়ে রইলাম।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এই পোর্টালের কোনো খেলা বা ছবি ব্যাবহার দন্ডনীয় অপরাধ।
কারিগরি সহযোগিতায়: ইন্টাঃ আইটি বাজার
iitbazar.com