বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারী ২০২২, ০৪:২৯ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ

হ্যাঁ, এলাকা আমার, খবর আমার, পত্রিকা আমার। সাফল্যের ২ বছর শেষে ৩ তম বছরে দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ। নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সবচেয়ে বেশি স্থানীয় সংস্করন নিয়ে "দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ" বিশ্লেষন আমাদের, সিদ্ধান্ত আপনার। দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ পত্রিকায় শুন্য পদে সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে। আপনার এলাকায় শুন্য পদ রয়েছে কিনা জানতে কল করুনঃ 01647627526 অথবা ইনবক্স করুন আমাদের পেইজে। ভিজিট করুনঃ parbattakantho.com দৈনিক পার্বত্য কন্ঠ। সত্য প্রকাশে সাহসী যোদ্ধা আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়বো

মাদারীপুরে প্রধান শিক্ষিকার নামে অনিয়মের অভিযোগ!! ব্যবস্থা নিচ্ছেনা স্থানীয় প্রশাসন

মাদারীপুর প্রতিনিধি:
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৪৪ জন পড়েছেন

মাদারীপুরে প্রধান শিক্ষিকার নামে স্কুল ফাকি দেওয়াসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
আজ ১৩ জানুযারী বৃহষ্পতিবার সকাল ৯ টা থেকে ৯.৪০ টা পর্যন্ত সাংবাদিকদের একটি দল ১৪২ নং মাটি ভাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে এসব অভিযোগের কথা জানতে পারে। এলাকাবাসি সূত্রে জানা যায় যে প্রধান শিক্ষক ফারহানা আক্তার প্রায়ই স্কুলে দেরি করে যান এবং মাঝে মাঝে স্কুলে না গিয়েও পরের দিন এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন। এ সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে জানা যায় যে, রগচটা এই প্রধান শিক্ষিকা চরমুগরিয়া ২ নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে থাকাবস্থায় প্রথম শ্রেণির এক ছাত্রীকে মেরে আহত করার পরে এলাকাবাসি ক্ষিপ্ত হলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তাকে কোন শাস্তি না দিয়ে প্রথমে ২ মাস মেডিকেল ছুটি ও পরে স্কুলে জোগদান না করিয়েই ঘরে বসিয়েই বেতন দিতে থাকেন। এর পরে তাকে শাস্তি না দিয়ে বিএড প্রশিক্ষণে পাঠিয়ে দেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার। পরবর্তীতে উর্ধ্বতন কতৃপক্ষ বিষয়টি জানার পরে গত ১৫ মার্চ-২০২০ খ্রিঃ ফারহানা আক্তারকে প্রশাসনিক বদলী করে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে ডিজি অফিস থেকে নির্দেশ দেওয়া হলেও উক্ত প্রধান শিক্ষকের সাথে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সখ্যতা থাকায় তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। স্থানীয় প্রশাসন তার অপকর্মের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেওয়ার রহস্যজনক কারনেই তিনি বেপরোয়া হয়ে ওঠেন বলে অনেকের ধারনা। শুধু তাই তাই নয় এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের দেখে নেওয়ারও হুমকি দেন। স্কুলের পাশের বাসিন্দা মনির ঢালী ও ভ্যান চালক বাদল খান বলেন ম্যাডাম সবসময় স্কুলে আসেননা। মাঝে মাঝে আসেন এবং তারাতারি চলে যান। আপনারা কিছু বলেননা কেন এমন প্রশ্নের জবাবে তারা বলেন যারা বলতে পারে তারাই কিছু বলেনা আর আমরা কি বলব? এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষিকা সাংবাদিকদের বলেন আপনারা আমার স্কুলে কার অনুমতি নিয়ে আসছেন? আমার স্কুলে আসতে হলে ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষের অনুমতি লাগবে। তিনি জেলা প্রশাসককে বিষয়টি জানাবেন বলেও সাংবাদিকদের হুমকি দেন। এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী অফিসার মসিউর রহমান, উপজেলা শিক্ষা অফিসার রাশিদা খাতুন এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নাসির উদ্দিন আহম্মেদ ভিন্ন ভিন্ন ভাবে মোবাইলে বলেন তারা বিষয়টি দেখবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এই পোর্টালের কোনো খেলা বা ছবি ব্যাবহার দন্ডনীয় অপরাধ।
কারিগরি সহযোগিতায়: ইন্টাঃ আইটি বাজার
iitbazar.com