• শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মাটিরাঙায় জাতীয় বীমা দিবস উদযাপন জাতীয় বীমা দিবসে মানিকছড়িতে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা ১নং কবাখালী সপ্রাবিতে পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এনায়েতপুরে মেয়েকে ইভটিজিং এর প্রতিবাদ করায় সাংবাদিককে মারধর, কিশোর গ্যাংয়ের লিডার সহ ৪ জন আটক বাঘাইহাট দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে পোশাক ও বার্ষিক ক্রীড়া পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত গুইমারাতে সেনাবাহিনীর মানবিক সহায়তা প্রদান কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ আলীকদমে একুশে বই মেলায় বীর বাহাদুর এমপি রাঙামাটি শহরে ছিনতাইএ জড়িত তিন চাকমা যুবক আটক ভারতের রাজস্থানের আইসিইউতে ধর্ষণে শিকার তরুণী

সুনীল কুমার চাকমা কর্তৃক বাঙালি কিশোরীকে ধর্ষণের প্রতিবাদে পিসিসিপি’র বিবৃতি

মোঃ শহিদুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার (রাঙ্গামাটি) / ২১৬ জন পড়েছেন
প্রকাশিত : রবিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৩

মোঃ শহিদুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার (রাঙ্গামাটি)

পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) রাঙামাটি জেলা শাখা কর্তৃক আজ ১ অক্টোবর রবিবার দুপুরে সুনীল কুমার চাকমা কর্তৃক বাঙালি কিশোরীকে ধর্ষণের প্রতিবাদে গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়ে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।

বিবৃতিতে পিসিসিপি রাঙামাটি জেলা সভাপতি মো: হাবীব আজম বলেন HBF সূত্র মতে জানা যায়, রাঙামাটি পার্বত্য জেলার জুরাছড়ি উপজেলার ধামাইপাড়া জখখাবাজার এলাকায় গত (শনিবার) ২৩-শে সেপ্টেম্বর ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ দুপুর সাড়ে ১২ টার সময় (৪৬) বছর বয়সী এক ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর চাকমা বয়স্ক পুরুষ কর্তৃক জোরপূর্বক এক বাঙালি মুসলিম কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়।

চাকমা সম্প্রদায়ের এই ধর্ষকের নাম সুনীল কুমার চাকমা (৪৬); পিতার নাম দয়াধন চাকমা গ্রাম: ধামাইপাড়া, জুরাছড়ি।
ধর্ষণের শিকার বাঙালি কিশোরীর নাম রাবেয়া(ছদ্মনাম)(১৭) পিতা: আজগর (ছদ্মনাম) গ্রাম: হাসপাতাল এলাকা, জুরাছড়ি।

জখখাবাজার নিরাপত্তা বাহিনীর ক্যাম্প থেকে ৫০০ মিটারের মধ্যে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ধর্ষিত কিশোরী শারিরীক অবস্থান ভালো নয়। তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পর সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে জখখাবাজার আর্মি ক্যাম্প ধর্ষককে আটক করে জুরাছড়ি থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করে। অথচ উক্ত ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে কারো কোন প্রতিবাদ না দেখে হাবীব আজম বলেন আমরা হতবাক হলাম।

বিবৃতিতে পিসিসিপি জেলা সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম বলেন, উপরোক্ত ধর্ষণের ঘটনা উপজাতি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর চাকমা সম্প্রদায়ের একজন বয়স্ক পুরুষ কর্তৃক ঘটেছে। উক্ত ধর্ষণ ঘটনার নয় দিন অতিবাহিত হলেও এই নিয়ে ইউপিডিএফ-জেএসএস এর সহযোগী অঙ্গসংগঠন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের নারীবাদী সংগঠন’, এবং দেশের নারীবাদী সংগঠন ও তথাকথিত সুশীল, বুদ্ধিজীবিদের বিবৃতি যেমন চোখে পড়েনি তেমনিই চুল-ছেঁড়া বিশ্লেষণ করতে দেখা যায়নি। কারণ, ধর্ষক এখানে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর চাকমা সম্প্রদায়ের তাই এই নিয়ে কথা বলা যাবে না। যদি এই ক্ষেত্রে ভিকটিম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর আর ধর্ষক বাঙালি হতো তাহলে এই ধর্ষণ নিয়ে ধর্ষক তকমা দিয়ে বাঙালিদের চৌদ্দ গোষ্ঠী উদ্ধার করে বিষয়টি সারাদেশে ছড়িয়ে দিয়ে হীন স্বার্থ চরিতার্থে বিশেষ ফায়দা হাসিল করতো একশ্রেণীর উপজাতি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কুচক্রী মহল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ